তেজগাঁও কলেজ সাধারণ শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের মোর্শেদ তরুণ–সেলিম গ্রুপ এবং সুইডেন আসলাম গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরেই মাদক সেবন, বহিরাগত ছাত্র হলে রাখা এবং চাঁদাবাজির মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তার করে আসছিল।
গত শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে হলের তলায় বসে মাদক সেবন করলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সেখানে তাদেরকে বাধা দিলে বাকবিতণ্ডা এবং হাতাহাতি হয়।
এরপর ছাত্রদলের মোর্শেদ তরুণ–সেলিম গ্রুপ বহিরাগত শতাধিক লোকজন এনে হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ধাওয়া করে বেধড়ক পিটিয়ে ৩ জনকে আহত করে। এর মধ্যে গুরত্বর আহত হয় তেজগাঁও কলেজের উচ্চমাধ্যমিক বিজ্ঞান বিভাগের ( ২০২৪–২৫) সেশনের শিক্ষার্থী সাকিবুল হাসান রানা।
তাকে গুরুতর অবস্থায় সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা দ্রুত আইসিইউতে ভর্তি করার পরামর্শ দেন এর পর তাকে দ্রুত মালিবাগের প্রশান্ত হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করান পরিবার । ৫ দিন ধরে আইসিউতে চিকিৎসা চলা অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাটি নিয়ে মামলা না করতে নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারের ওপর চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে হামলাকারীরা পরিচিত হওয়া সত্ত্বেও, কলেজ কর্তৃপক্ষ অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে মামলা করতে থানায় গেলে পুলিশ নাম ছাড়া মামলা নিতে অস্বীকার করেছে।
এ বিষয়ে তেজগাঁও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর শামিমা ইয়াসমিনকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
অন্য একটি সূত্রে জানা যায়, এ বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে চান না।
এনএইচ