বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য দিয়েছেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, চাকরিচ্যুত হওয়ার কারণে ভিসা বাতিল হলে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানেরও কিছু দায়িত্ব থাকে। আমাদের দূতাবাস সরাসরি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় ও যোগাযোগ চলছে।

প্রবাসীদের সচেতনতা ও স্থানীয় আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রবাসীদের জন্য নিজ নিজ দেশের ও গন্তব্য দেশের আইন মেনে চলা জরুরি। ফেসবুকে কোনো সংবেদনশীল বিষয় বা রাজনীতি নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট দেওয়া ও অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হচ্ছে। এছাড়া জাল বা ভুয়া নথিপত্র ব্যবহার করলে পুরো দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এবং যারা বৈধ উপায়ে কাজ করতে যেতে চান, তাদের পথও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালের অভিবাসন আইন সংশোধন করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ভুয়া তথ্য বা কাগজ জমা দিলে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধানসহ জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাওয়ার খরচ অনেক বেশি। এই ব্যয় কমাতে এবং দালাল চক্রের প্রতারণা রুখতে মন্ত্রণালয় সমন্বিত কাজ শুরু করেছে। অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার রোধে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রথমবারের মতো একটি স্বতন্ত্র মাইগ্রেশন উইং গঠন করা হয়েছে।

এমএম