বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের ব্যানারে "সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ থেকে বৃদ্ধি করে ৩৫ এ উন্নীত করণের জন্য দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন করে যাচ্ছে।
বিগত সরকারে আমলে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্হায়ী কমিটি তিন তিন বার সুপারিশ এবং বহু সংসদ সদস্য, বিরোধী দলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ বার বার এই যৌক্তিক দাবী সংসদে উপস্হাপন করলেও তা বাস্তবায়ন হইনি।
আজ সকাল ১১টায় শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে এক প্রতীকী সমাবেশের আয়োজন করেন। এমতাবস্থায় সংগঠনটি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবী জানান।
বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ সংগঠনের আহ্বায়ক সনজয় দাস বলেন, চাকরিতে প্রবেশের দাবী দীর্ঘদিনের।বিভিন্ন সময় আমরা আশ্বাস পেয়েছি কিন্তু দুঃখের বিষয় তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।এ দাবী দ্রুত বাস্তবায়ন করে আমাদেরকে হতাশা থেকে মুক্তি দিন।
সংগঠনের আরেক যুগ্ন-আহ্বায়ক সাহাব উদ্দিন শিহাব বলেন, জন নেত্রী মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর উপর বিশ্বাস আছে। তিনি যা বলেন তা করেন। নির্বাচনী ইসতেহারে চাকরিতে প্রবেশের বয়স বৃদ্ধির ঘোষণা ছিল।
“দ্রুত ৩৫ এর দাবী বাস্তবায়ন চাই আমরা যেন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে পারি”
তিনি আরো বলেন, আগে যেখানে একজন ছাত্র ৪/৫ বছর বয়সে প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হয়ে ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সে এসএসসি পাস করতে পারত, এখন সেটা ১৬ বছরের আগে কোনক্রমেই সম্ভব নয়। স্নাতক ও সম্মান উভয় ক্ষেত্রে ১ বছর করে বৃদ্ধি করে যথাক্রমে ৩ ও ৪ বছর করা হয়েছে। সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিকের দুই বছর যোগ করলে একজন সম্মান পাস ব্যক্তির বয়স দাড়ায় ২২ বছর।
অপরদিকে, তিন বছর স্নাতকধারীর বয়স হয় ২৩ বছর। তাছাড়া, ফল প্রকাশ, ভর্তি এসব কাজেও একজন শিক্ষার্থীর এক-দুই বছর চলে যায়। তাই রাষ্ট্রের প্রতি আমাদের দাবি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হোক।
প্রধানমন্ত্রী কাছে আমাদের অনুরোধ দেশে শিক্ষিত বেকারদের কথা মাথায় রেখে আমাদের দাবি মেনে নিন।
যুগ্ন-আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ বলেন -আমরা ইতিমধ্যে মাননীয় জনপ্রশান মন্ত্রী জনাব ফরহাদ হোসেন স্যারের সাথে সাক্ষাৎ করেছি।মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, তোমাদের দাবী যৌক্তিক এবং দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হবে।
এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ন আহ্বায়ক পারভেজ,তারেক, সাকিব,মিলন,নকিব,ফয়সাল, ইউসুপ সহ আরো অনেকে।
উল্লেখ্য,‘ গত ১৬ ফেব্রুয়ারি, শনিবার আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদ ওবায়দুল কাদেরের বরাত দিয়ে আগামী মাসে সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর করে দেয়া হবে’ এ খবর সত্য নয় বলে দাবি করেছেন ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেছেন: আমার নাম ব্যবহার করে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বহুল আলোচিত এ বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিস্কার করেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন: সরকারি চাকুরিতে প্রবেশের সাধারণ বয়সসীমা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ করা হবে এমন কথা আমি বলিনি। এখন পর্যন্ত কোন অডিও বা ভিডিও রেকর্ড সংবাদ প্রকাশকারীরা হাজির করতে পারেনি। এ সংবাদ অসত্য এবং প্রচার বাড়ানোর কৌশল।
এএস





