ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষাবিদরা। কোচিং ব্যবসার কারণে এ ধরণের অপরাধ বাড়ছে উল্লেখ করে, এর মধ্য দিয়ে কেউ পাস করতে পারবে না বলে নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
শুক্রবার গ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনিয়মের দায়ে ৭ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
অভিনব কৌশলে ভর্তি পরীক্ষায় নকল করতে যেয়ে শুক্রবার ৭ পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীরা স্মার্টফোন দিয়ে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে অথবা সেটকোড দিয়ে পাঠিয়ে দেয় বাইরে এরপর এসএমএস আকারে দ্রুত প্রশ্নের উত্তর চলে আসে পরীক্ষার্থীর কাছে।
আর পরীক্ষা হলের বাইরে থেকে যারা এ কাজটি করেন তাদের সাথে পরীক্ষার্থী এবং কোন কোন ক্ষেত্রে তার অভিভাবকও জড়িত থাকেন।
শিক্ষাবিদ ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন, 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে থাকে। এ রকম বিশাল একটি পরীক্ষাযজ্ঞে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সত্যিই কঠিন। পরীক্ষা কক্ষে শিক্ষার্থীর সঙ্গে কোন প্রকার ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস থাকবে না সেটি নিশ্চিত করতে হবে।'
আার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকি বলেন, 'আমি এ সকল শিক্ষার্থীদের দোষ দেই না। কারণ তার নির্দোষ। তাদের পরিবার থেকে শিক্ষাটা দেওয়া হয় না। তারা যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করেছে সেখানেও হয়তো বিষয়টি সেভাবে শিক্ষাটা দেওয়া হয় নি। এবং পরবর্তীতে তাদের যে কোচিং নির্ভর প্রস্তুতি সেটাই তাদের এ ধরনের প্রতারণার জালের মধ্যে ফেলে দেয়।'
পরীক্ষা হলে সকল প্রকার ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ হলেও প্রতি বছর একই ঘটনা ঘটায় চিন্তিত সচেতন শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা।
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





