ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। শনিবার বিকেল ৫টা থেকে কয়েক দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
মেয়েলি বিষয় থেকে এ ঘটনার সূত্রপাত বলে জানা যায়। এতে সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মীরা 'সাদ্দাম হোসেন' হলে হামলা ও ভাংচুর করে। হামলায় সভাপতি গ্রুপের এক কর্মী গুরুতর আহতসহ মোট ৫-৬ জন আহত হয়।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে টিএসসিসির সিঁড়িতে সভাপতি গ্রুপের কর্মী আল আমিন হোসেন মিলন তার বান্ধবির সাথে গল্প করছিল।
এসময় সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মী রিজওয়ানের সাথে প্রেম গঠিত বিষয় নিয়ে মিলনের সাথে তর্ক বাঁধে। কিছু সময় পর রিজওয়ান, রিমন, এনামুল, ইউসুফসহ বেশ কয়েকজন এসে মিলনকে আচমকা মারধর করে। এসময় মারধর থেকে বাঁচতে মিলন দৌড়ে 'সাদ্দাম হোসেন' হলে পালায়।
এরপর বিশ/ত্রিশ জন ক্যাডার এক সাথে হকস্টিক এবং লাঠি নিয়ে সাদ্দাম হলে প্রবেশ করে। পরে সভাপতি গ্রুপের কর্মী নাঈম এসে ঘটনা জানতে চাইলে তার সাথে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে প্রতিপক্ষরা।
তারা নাঈমকে মারধর করে এবং নাঈমের রুম ভাংচুর করে। পরে সভাপতির কর্মীরা জড়ো হলে সন্ধা ৬টার দিকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে উভয় গ্রুপ। এসময় সাধারণ সম্পাদকের কর্মীরা আবারো হামলার উদ্দেশ্যে হলের ভেতরে ঢুকতে চায়। পরে উভয় গ্রুপের সিনিয়র নেতারা এসে পরিবেশ শান্ত করে।
ঘটনার পর পরই হল পরিদর্শন করেন প্রক্টর ড. মাহবুবর রহমান। পরে আহত মিলনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত উভয় গ্রুপকে সাদ্দাম হলের দুই দিকে অবস্থান নিয়ে থাকতে দেখা গেছে। হল এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। সংঘর্ষের পর হলের নিরাপত্তায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ছাত্রলীগ সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত করতে সেক্রেটারির সাথে কথা বলেছি। দুই সদস্যের একটি কমিটি করেছি। বিষয়টা কেন্দ্রে জানানো হবে। তারা পরবর্তী পদক্ষেপ নিবেন।’
প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারা সংঘর্ষে জাড়িয়ে পড়ে। আমরা উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে মীমাংসা করে পরিবেশ শান্ত করেছি।’
হিমেল/জেড





