ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের অনার্স প্রথমবর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এনেছে ইবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। প্রশ্ন ফাঁসের উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ নিজেদের হাতে আছে বলে দাবি করেন অভিযোগকারীরা। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভিসির কার্যালয়ে গিয়ে তারা এ অভিযোগ জানায়। ইতোমধ্যে অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এনিয়ে ক্যাম্পাসে নানা গুঞ্জনও শুরু হয়েছে।

প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানায়, ছাত্রলীগ ইবি শাখার সাধারণ সম্পাদক অমিত কুমার দাসের নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একটি দল ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-উর রশিদ আসকারীর কার্যালয়ে প্রবেশ করে। এ সময় তারা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ‘এফ’ ইউনিটে প্রশ্ন ফাঁস হওয়া সংক্রান্ত কথা বলে।

ভিসি অফিস সূত্রে জানা যায়, ‘এফ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁস এবং এর সাথে জড়িতদের বিষয়ে অভিযোগকারীদের হাতে প্রমাণ আছে বলে তারা দাবি করে। একই সাথে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি তদন্তের জোড় দাবি জানায় তারা।

অভিযোগ তদন্তে ইতোমধ্যে প্রফেসর ড. এস এম মোস্তফা কামালকে আহ্বায়ক এবং প্রফেসর ড. আহসান-উল আম্বীয়া ও প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমানকে সদস্য করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ।

এবিষয়ে ইবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অমিত কুমার দাস বলেন, ‘প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে মেধাহীন শিক্ষার্থী ভর্তি হবে, আর মেধাবীরা বঞ্চিত হবে তা হতে পারে না। আমরা ভিসি স্যারের কাছে অভিযোগ করেছি। আশা করছি স্যার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখবেন’

ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-উর রশিদ আসকারী বলেন, ‘তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অবশ্যই যথাযথ ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।’

হিমেল/জারিফ