রাজধানীর অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানবিক শাখা নেই। যার ফলে তারা ভালো ফলাফল করতে পারছে। কারণ মানবিক শাখায় তুলনামূলক প্রত্যাশিত ফলাফল আশা করা যায়না।

ভিকারুন্নেসা নুন স্কুলে গত বছরের তুলনায় এবার খারাপ ফলাফলের কারণ হিসেবে এমনটাই মন্তব্য করছিলেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে চতুর্থ স্থান অধিকার করা ভিকারুন্নেসা নুন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোছা. সুফিয়া খাতুন।

শনিবার সোয়া ১টার দিকে ভিকারুন্নেসা নুন স্কুলে আনুষ্ঠানিক ভাবে ফলাফল ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক শাখা রয়েছে যা অন্য প্রতিষ্ঠানে নেই। আমার জানা মতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ভালো ভালো সব স্কুল ও কলেজে মানবিক শাখা নেই।

আমাদের প্রতিষ্ঠানে মানবিক শাখা থাকায় জিপিএ-৫ এর হার কমে যাচ্ছে। প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে মানবিক শাখা থাকা জরুরী বলে তিনি মনে করেন।

পজিশন নির্ধারণের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, নবম-দশম শ্রেণীতে রেজিষ্টেশন ও ফরম পূরণ এবং মোট পরীক্ষার্থীর পাসের হার ও জিপিএ-৫ এর উপর নির্ভর করে।

তবে আমাদের প্রতিষ্ঠানে অনেক ছাত্রীরা রেজিস্ট্রেশনের পর ইমিগ্রেন্ট হয়ে বিদেশে চলে যায়। এ বছরও ১০জন পরীক্ষার্থী বিদেশ চলে গিয়েছে এবং দু'জন পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র নেয়নি।

তিনি আরো বলেন, প্রতি ১০০জন শিক্ষার্থীর জন্য ১ পয়েন্ট যোগ হয়। এভাবে ৫০০ জনের জন্য পয়েন্ট দেওয়া হয়। কিন্তু আমাদের প্রতিষ্ঠানে ছাত্রী সংখ্যা ১৫০৫ জন। অতিরিক্ত ১০০৫ জনের জন্য কোন পয়েন্ট দেওয়া হয় না।

তার প্রতিষ্ঠানের আশার দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা তখনই বিচলিত হইনা, যখন দেখি আমাদের ছাত্রীরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্বের ভালো ভালো উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করছে। এক্ষেত্রে আমাদের শিক্ষার্থীরা গোটা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ৭০% এগিয়ে রয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে চতুর্থ স্থান অধিকার করা ভিকারুন্নেসানুন স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছিলো ১৫০৩ জন। যার মধ্যে দু'জন পরীক্ষয় অংশগ্রহণ করেনি। মোট পাশ করেছে ১৫০১জন। অর্থাৎ পাশের হার ১০০%। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান, মানবিক এবং ব্যবসায়ী শাখা থেকে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২৯০জন।

এমআর/এসএইচ