ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে চায়ের দোকানে মারধরের শিকার হয়েছেন ছাত্রদলের দুই নেতা। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাদের উপর হামলা চালান বলে অভিযোগ উঠেছে।
আহত দুই ছাত্রদল নেতার একজন কেন্দ্রীয় সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া এবং অন্যজন বঙ্গবন্ধু হল ছাত্রদলের সদস্য রায়হানুল আবেদিন।
এর মধ্যে মিনহাজ আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে জার্মান ভাষার ছাত্র এবং রায়হান মনোবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তরের ছাত্র।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাত্রদল নেতা মিনহাজ ও রায়হান টিএসসিতে বসে চা খাচ্ছিলেন। এসময় তাদেরকে 'সন্দেহজনক মনে হওয়ায়' বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ইউনুছ ও সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শরিফুল আলম শপুর নেতৃত্বে প্রায় ১৫ জন মারধর করতে করতে হাকিম চত্বর নিয়ে যায়। সেখানেও তাদেরকে মারধর করা হয়৷
খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল টিম এসে দুই ছাত্রদল নেতাকে উদ্ধার করে ক্যাম্পাসের বাইরে দিয়ে আসেন।
মিনহাজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা টিএসসিতে বসে চা খাচ্ছিলাম। ছাত্রলীগের কয়েকজন এসেই আমাদের ধরে নিয়ে মারধর শুরু করে করে।’
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তানজিল ভূইয়া তানভীর মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘তাদের নাশকতার কোনো প্ল্যান ছিল কি না, সেটা জানতে তাদের হাকিম চত্বরে আনা হয়েছিল। তবে তাদের কাছে নাশকতার কোনো তথ্য ছিল না।’
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। এটা হলে তা খুবই খারাপ বিষয়। আমি ক্যাম্পাসের বাইরে আছি। এসে খোঁজ নেব।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘ছাত্ররা তো ছাত্রদের বিষয় দেখতে পারে না। কাউকে সন্দেহজনক মনে হলে সেটা প্রশাসন দেখবে। এ ধরনের ঘটনা কাম্য নয়। যদি কেউ অভিযোগ করে, তবে ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
জেড





