নোয়াখালী আবদুল উকিল মেডিকেল কলেজে ননপোস্ট গ্যাজুয়েট বই সরবারাহ না করে কার্যাদেশ বর্হিভূত ৬ কোটি টাকার পোষ্ট গ্যাজুয়েট সরবরাহ করায় অধ্যক্ষ ডাক্তার আবদুস সালাম , ঠিকাদার অরবিটাইল ইন্টারন্যাশাল ইনকর্পোরেশন , জেলা বিএমের সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার আবদুস সাত্তার ফারাজী ও অধ্যক্ষের পিএস মুশ্যাল সি কুক হক পারভেজ পরস্পর যোগসাজসে অনিয়ম ও দুনীতির আশ্রয় সরকারের কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছে।

গত জানুয়ারী দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলামকে প্রধান করে তদন্ত কর্মকর্তা গঠন করা হয়েছে। গতকাল রোববার তদন্ত কমিটির আহবায়ক দরপত্র মূল্যয়ন কমিটি অধ্যক্ষ ডাক্তার আবদুস সালাম ,মাক্রোবায়েলোজীর সহকারী অধ্যপক ডাক্তার অরুণকান্তি দেওয়ানঞ্জি, নোয়াখালী সিভিল সার্জন ,এলজিডির নির্বাহী প্রকৌশলী ও গণপূর্ত নির্বাহী প্রকৌশলীকে গতকাল রোববার তদন্ত কমিটির আহবায়ক দুদক উপ পরিচালক জাহাঙ্গীর আলামের কাছে স্বশরীরে হাজির হওয়ার নিদের্শ দেয়া হয়েছে। বাজার কমিটির সদস্য সহকারী অধ্যপক ডাক্তার বিমল চন্দ্র দাস ,প্যাথোলজির প্রভাষক ডাক্তার ইমাম হোসেন ,সহকারী অধ্যাপক সঞ্জয় কুমার বক্ত দুদুক ওই তদন্ত কমিটির আহবায়কের কাছে হাজির হয়ে গত ২৬ ফেব্রুয়ারী জবান বন্দি দেয়া হয়েছে।

অপরদিকে ,গত ডিসেম্বর এজিবির ৩ সদস্য বিশিষ্ট কলেজে সরেজমিনে এসে স্টোর কিপারের রুমে ৬ কোটি টাকার পোস্টগ্যাজুয়েট বই বাজার ধর থেকে প্রতি কপি কয়েক হাজার গুন বেশি টাকা দিয়ে ওই ঠিকাদারসহ ওই সিডিক্রেটের সাথে যোগসাজসে কোটি কোটি দুনীতি করে সরকারী রাজস্ব ফাকিঁ দেয়ার রিপোর্ট দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য , ‘ভিনসেন্ট টেক্স বুক ক্রিটিক্যাল কেয়ার ’এই বই ৬ষ্ট সংস্করণের প্রচলিত বাজার দাম ৬ হাজার ৬শ ৫৬ টাকার স্থলে বইটি কয়েক হাজার গুন বেশী ধরে সরবারাহ করছে ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৫শ টাকায় , অপর একটি সাড়ে ৮শ টাকার স্থলে ৪ লাখ টাকায় এভাবে প্রচলিত বাজার মূল্য থেকে কয়েক হাজার গুন বেশী দামে সরবরাহ করে সরকারের কোটি কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে।

এদিকে, অধ্যক্ষ ডাক্তার আবদুস সালাম জানান, দুদক উপপরিচালকের নির্দেশে তার কার্যালয়ে দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি দরপত্র অনিয়মের অভিযোগে অপর সদস্যরা যাইতেছে কিনা জানি না তবে আমি গতকাল রোববার যাইতেছি।

এসএইচ