পাট বাতাস থেকে কার্বন গিলে খায় এবং অক্সিজেন দেয়। ক্ষেতে থাকাবস্থায় ১২০দিনে পাট ১২ মেট্রিক টন কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে। এই একই সময়ে ১১ মেট্রিক টন অক্সিজেন নিঃসরন করে। 

অপরদিকে পাটজাত দ্রব্য সার্বিক দিক বিবেচনায় পরিবেশবান্ধব হিসেবে স্বীকৃত। উৎপাদন পর্যায় থেকে শুরু করে বিনাশ পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই পাট পরিবেশের জন্য উপকারী। তাই পাটের উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়াতে হবে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে হাফিজউদ্দিন আহমেদ ও ফাতেমা আহমেদ ট্রাস্ট বক্তৃতা শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধে তথ্য ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. একে আজাদ চৌধুরী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ইঞ্জিনিয়ার অধ্যাপক মাসউদ আহমদের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন পাট গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. কামাল উদ্দিন।

স্বাগত বক্তব্য দেন ট্রাস্টের উদ্যোক্তা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের অধ্যাপক রাশিদা আখতার খানম। পাট বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক আবদুল জব্বার খান।

মূল প্রবন্ধে বলা হয়, পাটের গতানুগতিক ব্যবহারের বাইরে টেকনোলজি এবং প্রযুক্তির ব্যবহার করে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ, পাহাড় ধস ও ক্ষয়রোধ, নদীভাঙন রোধসহ নানা কাজে এই পাটের সফল ব্যবহার করা যায়। এই কাজে পাটের ব্যবহারকে বলা হয় জুট জিওটেক্সটাইল।

অধ্যাপক ড. একে আজাদ চৌধুরী বলেন, বিশ্বব্যাপী এখন সুরক্ষার আন্দোলন জোরদার হয়েছে। তাই এ সময়ে পাটের দিকে ফিরে যাওয়া এবং সফল ও বহুল ব্যবহার সময়ের দাবি। তিনি গবেষকদের পাটের উন্নয়নে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান।

অধ্যাপক রাশিদা আখতার খানম বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় যখন কলেজ ছিল, তখন বাবা এখানে পাট গবেষণা ও উন্নয়নে কাজ করেন। এ বিষয়ে তার আন্তর্জাতিকমানের একাধিক বই রয়েছে।

এআর