কোটা বাতিলের সিদ্ধান্তের খবর জানার পর সাধারণ অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ বলছে, তারা রাতে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করবে। এরপর বৃহস্পতিবার (১২ এপ্রিল) সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনের মতামত জানানো হবে।
সংগঠনের পক্ষে যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ খান সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ (বুধবার) বিকেলে সংসদে সরকারি চাকরির কোটা প্রসঙ্গে বক্তব্য দেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর রাশেদ খান সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
এর আগে দুপুরে কোটা সংস্কার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনতে চান আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। সরকারি চাকরিতে কোটা থাকবে না- প্রধানমন্ত্রীর বরাতে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এ কথা জানান সাধারণ অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতৃস্থানীয় দু’জন।
এক প্রতিক্রিয়ায় সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ খান জানান, তাঁরা কোটা তুলে দেওয়া হোক চাননি, সংস্কার চেয়েছেন। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি ঘোষণা চেয়েছেন তিনি।
রাশেদ খান বলেন, “কোটা থাকবে না, তা আমরা চাই না। আমরা সংস্কার চাই। এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই। কোটার দরকার আছে। সবার কথা বিবেচনা করে সেটার একটি সহনীয় পর্যায়ে সংস্কার চাই।”তিনি আরও বলেন, কোটার বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি বক্তব্য চান তাঁরা।
পরিষদের আরেক যুগ্ম-আহ্বায়ক ফারুক আহমেদও বলেন, কোটা সংস্কারের যে পাঁচ দফা দাবি করা হয়েছে, সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা চান তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীকে সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে এ বিষয়ে। এ আন্দোলনে যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের সুচিকিৎসারও দাবি জানান তিনি।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন তাঁদের ফেসবুকে পেজে স্ট্যাটাস দিয়ে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁদের বলেছেন-এখন থেকে সরকারি চাকরিতে কোনো কোটা থাকবে না।
এই স্ট্যাটাসের বিষয়ে পরে সাইফুর রহমান সোহাগ ও এস এম জাকির হোসাইনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা উভয়েই বলেন, স্ট্যাটাসের তথ্য ঠিক। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের বলেছেন-সরকারি চাকরিতে কোনো কোটা থাকবে না। আজ (বুধবার) বেলা দেড়টার দিকে মধুর ক্যানটিনে সংবাদ সম্মেলন করে একই কথা জানান এই দুই ছাত্রনেতা।
এমবি





