মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে এতোদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পর আগামী ৩০ মার্চ থেকে স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এই তথ্য জানিয়েছেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ৩০ মার্চের আগপর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নের কাজ চলবে। একই সঙ্গে শিক্ষক-কর্মচারিদের টিকা দেওয়া সম্পন্ন করতে পারবো। আর ১৭ মে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর হল খুলে দেওয়া হবে। এরমধ্যে হলের সংস্কার কাজ শেষ করা হবে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর মেরামতের কাজ করবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় (এলজিআরডি)।

দীপু মনি জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্যবিধি বিষয়টি স্বাস্থ্যকর্মীসহ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা মনিটরিং করবেন।

শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী মো: আব্দুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো: জাকির হোসেন অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো: মাহবুব হোসেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো: আব্দুল মান্নান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো: আমিনুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো: কামাল হোসেন, পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

গত বছরের ০৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ধাপে ধাপে বাড়িয়ে আগামীকাল ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে।

এমবি