নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ২৮ মে থেকে ১২ জুন পর্যন্ত ভর্তি ফরম উত্তোলন ও জমা (এসএমএস) দেওয়া যাবে। ভর্তির জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ২২ জুন। ইতোমধ্যে ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির নীতিমালা-২০১৪ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির নীতিমালা চূড়ান্ত করা সংক্রান্ত এক সভা শেষে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাসলিমা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ সভায় সভাপতিত্ব করেন। শিক্ষা সচিব মোহাম্মদ সাদিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাসলিমা বেগম ছাড়াও বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
একাদশ শ্রেণীর ভর্তির জন্য এবারও কোন ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী পুনঃপরীক্ষণের ক্ষেত্রে যাদের ফল পরিবর্তন হবে তাদের জন্য আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখ ১৬ জুন। বিলম্ব ফি ছাড়া ভর্তির শেষ তারিখ ৩০ জুন, বিলম্ব ফিসহ ভর্তির শেষ তারিখ ২২ জুলাই। একাদশ শ্রেণীর ক্লাস শুরু হবে ১ জুলাই।
গত বছরের মতো এবারো নীতিমালা অনুযায়ী ৩০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর অনুমতি আছে এমন সব প্রতিষ্ঠানে বোর্ডগুলো অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নেবে। তবে ৫০০ জনের বেশি হলে অবশ্যই অনলাইনে ভর্তি নিতে হবে’ বলেও জানান ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান।
২০১৪ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল শনিবার প্রকাশিত হবে। এবার ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে মোট ১৪ লাখ ৩২ হাজার ৭২৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন।
ভর্তি ফরমের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১২০ টাকা। নীতিমালা অনুযায়ী, ৭টি বিভাগীয় সদরের কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজের ৮০ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। অবশিষ্ট ১০ শতাংশ আসনের মধ্যে ৩ শতাংশ সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সদরের বাইরের এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য, ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্ত দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী এবং স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
এছাড়া বাকী ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ইচ্ছেমত ভর্তি করাতে পারবে বলে জানান তাসলিমা। বিভাগীয় শহর ছাড়া অন্য জেলা শহরের কলেজের জন্যও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সব বিষয়ের উপর সর্বোচ্চ ৪৩ গ্রেড পয়েন্ট ধরে জিপিএর ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করতে হবে। বিজ্ঞান শাখা থেকে উত্তীর্ণরা যে কোনো বিভাগে ভর্তি হতে পারবে। মানবিক শাখা থেকে উত্তীর্ণরা মানবিকের পাশাপাশি ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ভর্তি হতে পারবে।
আর ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে ভর্তি হতে পারবে। বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান জিপিএ প্রাপ্তদের মেধাক্রম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত অথবা জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত জিপিএ বিবেচনায় আনা হবে। আর মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ভর্তির ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলায় অর্জিত গ্রেড পয়েন্ট বিবেচনা করা হবে। স্কুল ও কলেজ সংযুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকারভিত্তিতে নিজ প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবে।
[b]ঢাকা, ১৫ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
২৮ মে থেকে এইচএসসিতে ভর্তি শুরু
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ২৮ মে থেকে ১২ জুন পর্যন্ত ভর্তি ফরম উত্তোলন ও জমা (এসএমএস) দেওয়া যাবে। ভর্তির জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ২২ জুন। ইতোমধ্যে ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির নীতিমালা-২০১৪
এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেলেন আলোচিত সেই ফাইয়াজ
২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নিয়ে গ্রেপ্তার, সাত দিনের রিমান্ড এবং দুই হাত দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় আদালতে নেওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচনায় আসেন কিশোর হাসনাতুল ইসলাম ফাইয়াজ। সেই তিনি এবার এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফল করেছেন। বাংলা ছাড়া বাকি সব বিষয়ে পেয়েছেন জিপিএ-৫।
রাজধানীর নামকরা ৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল
২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে সম্মিলিত পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।
এইচএসসিতে ইংরেজি ও আইসিটিতে ফেল সবচেয়ে বেশি
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে। এ দুই বিষয়ে মোট ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন শিক্ষার্থী ফেল করেছেন। এর মধ্যে ইংরেজিতে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং আইসিটিতে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন অকৃতকার্য হয়েছেন।
ফলাফলে এগিয়ে মেয়েরা ময়মনসিংহ বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৫১.৪৪ শতাংশ
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ১৩৭ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্রী ১ হাজার ১১৯ জন এবং ছাত্র ১ হাজার ১৮ জন। জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছেন।
এইচএসসিতে এবার প্রায় অর্ধেক ফেল
উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬ লাখ ২৩ হাজার ৮৯৮ জন অকৃতকার্য হয়েছেন। গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেকই পাস করতে পারেননি।












