সিলেট নার্সিং ইনস্টিটিউট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক শিক্ষানবিস ব্রাদারকে মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে আন্দোলনের মুখে মঙ্গলবার সকালে এ ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে মঙ্গলবার সন্ধ্যার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এর আগে সোমবার সকাল থেকে হাসপাতালে কর্মবিরতি, পরীক্ষা বর্জনসহ মানববন্ধন করে আসছিলেন নার্সরা।
সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. তন্ময় ভট্টাচার্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, নার্সিং ইনস্টিটিউট বন্ধ ঘোষণা করা হলেও হাসপাতালে কর্মরত নার্সরা কাজে যোগ দেয়ায় চিকিৎসাসেবায় কোনো সমস্যা হচ্ছে না।
এর আগে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মিজানুর রহমান বলেন, রবিবার রাতেই এ বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়া হয়েছে। তারপরও কেন তারা আন্দোলন করছে, তা আমার বোধগম্য নয়।
অন্যদিকে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ইন্টার্ন চিকিৎসক তোফায়েল আহমদের বিচার দাবিতে সকাল থেকেই বিক্ষোভ করছেন নার্সরা। প্রায় ৪০০ নার্স স্টুডেন্ট কাজে যোগ না দিয়ে হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।
নার্স স্টুডেন্টরা জানান, রবিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ইন্টার্ন ডা. তোফায়েল কর্তব্যরত শিক্ষানবিস ব্রাদার প্রলয়কে তলব করেন। প্রলয়ের আসতে দেরি হওয়ায় তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে প্রলয়ের হাত ওই ইন্টার্ন ডাক্তারের গায়ে লাগে। এতে তাকে ব্রাদার লাঞ্ছিত করেছে অভিযোগ তুলে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জড়ো হয়ে ওই ব্রাদারসহ আরও ৫ জনকে পিটিয়ে আহত করেন।
এ ঘটনায় রাতেই হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন নার্সরা। পরে হাসপাতালের পরিচালক জরুরি বৈঠক ডেকে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
[b]ঢাকা, ২০ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ
[/b]