ছাত্রলীগের হামলায় চোখে আঘাতপ্রাপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এহসান রফিককে উন্নত চিকিৎসার জন্য অবশেষে ভারতে নেয়া হচ্ছে। চেন্নাইয়ের শংকর নেত্রালয়ে তাকে চিকিৎসা প্রদান করা হবে।
প্রয়োজনীয় অর্থ, পাসপোর্ট, ভিসা ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র হাতে পেলেই ছেলেকে নিয়ে ভারতের উদ্দেশে যাত্রা করবেন বাবা রফিকুল ইসলাম।
সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন তিনি। এদিকে সারাক্ষণ ভীতসন্ত্রস্ত এহসানের করুণদশা দেখে পরিবারের সদস্যরা তাকে আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতে চাচ্ছেন না।
গতকাল (শনিবার) বিকালে এহসানের বাবা রফিকুল ইসলাম জানান, এহাসানের চোখের চিকিৎসায় অগ্রগতি নেই। সারাক্ষণ তার মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। কোনো কিছুতেই সে স্বাভাবিক হতে পারছে না।
এহসানের সার্বিক নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এহসানের উন্নত চিকিৎসার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল আর্থিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়ে এহসানের বাবা রফিকুল ইসলাম জানান, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠে এ ধরনের ঘটনায় আমরা হতবাক হয়েছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে দুর্বৃত্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে।
এমবি





