মোবাইল ব্যবহার করে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের অধীন চলমান ভর্তি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে হাতেনাতে আটক হয়েছে এক শিক্ষার্থী। এছাড়া আরও ৩ জন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে জালিয়াতির অভিযোগে।

মোবাইলে জালিয়াতিতে আটককৃত শিক্ষার্থীর নাম মো: কাউসার আহেম্মেদ (ভর্তি পরীক্ষার রোল- ২১৯০৭০)।

এছাড়া প্রশ্নপত্র পাল্টানোর সময় রেজায়ি রাব্বি ও মারজিয়া মিমকে আটক করা হয়। নুর মোহাম্মদ নামে আরও একজনকে পরিসংখ্যান ভবন থেকে আটক করা হয় জাল পরীক্ষা দিতে আসার জন্য।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে খালেদ সাইফুল্লাহ (ভর্তি পরীক্ষার রোল- ২১৯০৭১) নামে আরেক শিক্ষার্থীর নাম বললেও তাকে পরীক্ষার হলে পাওয়া যায়নি। তবে তার পরীক্ষার উত্তরপত্র জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ১২টায় শুরু হওয়া সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীন বি-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সময় পুরাতন কলা ভবনের ২০২ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে আটক করেন দায়িত্বরত আন্তর্জাতিক বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহেল কাফী।

অধ্যাপক আব্দুল্লাহেল কাফী বলেন, ‘পকেটের ভিতর বাবরবার হাত দেওয়াতে আমাদের সন্দেহ হলে আমি ওই ছাত্রের কাছে যাই এবং মোবাইলসহ তাকে আটক করি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কাউসার জানান, ‘রাশেদ নামে এক পরিচিত ফার্মগেটের বড় ভাইয়ের সাথে দুই লাখ টাকার বিনিময়ে চুক্তি হয়।' পরে দুপুর একটার দিকে তাকে প্রক্টর টিমের কাছে সোপর্দ করা হয়।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে আটক আরও ৩ শিক্ষার্থীর জিজ্ঞাসাবাদ চলছিল।
প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা বলেন, ‘আমরা এ ব্যপারে সিরিয়াস। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ