খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উদযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। এ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। কয়েকদিন ধরে চারুকলার শিক্ষার্থীরা নববর্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার জন্য বিভিন্ন উপকরণ তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছেন। এবারের বাংলা নববর্ষ উদযাপনে দায়িত্বে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ’১৪ ব্যাচ।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নবর্বষ উদযাপন এখন বৈচিত্রপূণ্য ও ঐতিহ্যে পরণিত হয়েছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে সবচেেয় বড় সমাবশে হয়ে থাকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। শুধু খুলনা শহরই নয়, আশপাশের এলাকা এবং দূর-দূরান্ত থেকেও মানুষ বিশ্ববিদ্যালয়ে মেলা দেখতে আসেন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে বড় সমাবেশ হয়ে থাকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। প্রতিবারের ন্যায় এবারও আমরা সর্ব-বৃহৎ বাংলা নবর্বষ আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে এবারের শোভাযাত্রায় মুখোশ, ভেপুজেলা, ভ্যানেটিব্যাগ ব্যবহার করা যাবে না।

এ পরিপ্রেক্ষিতে বিপুল লোকসমাগম মাথায় রেখে সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমূখর পরিবেশে মেলার আয়োজন ও সমাপ্তি পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তাও থাকবে। এছাড়াও সাদা পোশাকেও থাকবে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা। মেলা অঙ্গন ছাড়াও আশেপাশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অতরিক্তি পুলিশ মোতায়ন থাকবে। বিএনসিসি এবং ১৫০ জন শিক্ষার্থী সমন্বয়ে গঠিত সেচ্ছাসেবক দলও নিয়োজিত থাকবে বলে খুবি প্রশাসন থেকে জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গৃহীত দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার মধ্যে রয়েছে ৩০ চৈত্র- মেলা (দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত), ঘুড়ি উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিকেল ৪ টায়।

পহেলা বৈশাখ- বর্ষ আবাহন সকাল ৬-৪৫ মিনিট, মেলা (সকাল ৬-৪৫ মিনিট থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত), ৭-৪৫ মিনিটে শোভাযাত্রা (শিববাড়ী মোড় থেকে ময়লাপোতা হয়ে রয়েল চত্ত¡র), সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান (প্রথম পর্ব) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান (দ্বিতীয় পর্ব) বেলা ২ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী বৈশাখী মেলায় লাঠিখেলা, ম্যাজিকশো, নাগরদোলা ইত্যাদির আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠে আয়োজিত এ মেলায় প্রায় ৭৫টার মতো স্টলের ব্যবস্থা থাকবে।

জারিফ