ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ও ট্রেজারার মুখোমখি অবস্থান নিয়েছে।

এ নিয়ে গতকাল ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকার ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. আফজাল হেসেনের মধ্যে উচ্চ বাক্য বিনিময় হয়েছে।

জানা যায়, গত ২০ জুন শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের নিয়োগ বোর্ডের ভাইভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত নিয়োগ বোর্ডে ৪ টি পদের বিপরীদে ৭১ জন প্রার্থী আবেদন করেছিল। আবেদন কৃতদের মধ্য থেকে ৩৭ জন প্রার্থী ভাইভাতে অংশ গ্রহন করে বলে জানা যায়। অভিযোগ উঠেছে মোটা অংকের টাকা লেনদেনের বিনিময়ে প্রার্থীদের নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।

এদিকে নিয়োগের জন্য ৪টি পদের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও নিয়োগ বোর্ড কর্তৃক ৭জন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে গোপন সূত্রে জানা যায়। যা সম্পূর্ণ নিয়মের পরিপন্থী।

এদিকে মনোনিত প্রার্থীদের তালিকায় ট্রেজারারের প্রার্থী না থাকায় তিনি ক্ষুব্ধ হন। এ বিষয়ে ভিসির সাথে কথা বলার জন্য ট্রেজারার গতকাল রোববার সকালে দুই দফায় ভিসির বাংলোতে যান।

কিন্তু ভিসি ১ম বার সাক্ষাত না করলেও ২য় বার সাক্ষাত করলে নিয়োগ নিয়ে ভিসি ও ট্রেজারার মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

পরে ভিসি অফিসে আসলে বেলা ১২ টার দিকে তিনি ভিসির সাথে আবার সাক্ষাত করেন এবং তার প্রার্থীর নিয়োগ নিশ্চিত করার কথা বলেন।

এদিকে যাদেরকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। যার বড় একটি অংশ ভিসি গলাধকরণ করেছে বলে অভিযোগ আনেকের।

তাই ভিসি ট্রেজারারের আবেদনে সারা না দিলে এক পর্যায়ে তাদের মাঝে উচ্চ বাচ্চ বিনিময় হয়। এক পর্যায়ে ট্রেজারারের প্রার্থীকে নিয়োগ না দেওয়া হলে সে পদ ত্যাগ করবে বলে জানায়।

এ বিষয়ে ট্রেজারার প্রফেসর ড. আফজাল হোসেন বলেন-“ভিসি স্যারের সাথে আমার বাক বিতÐা হয়নি এবং আমি কোন পদত্যাগ পত্র জমা দেয়নি। তবে আমি শারীরিক অসুস্থতার কারণে অফিস করতে পারবো না এজন্য ছুটি দরকার বলে কথা বলতে গিয়েছিলাম।

এ বিষয়ে ভিসি প্রফেসর ড.আবদুল হকিম সরকার বলেন-“তিনি পদত্যাগ করবেন কিনা সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

তবে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোন সুপারিশ গ্রহণ করা হয়নি। স্বচ্ছ ও মেধার ভিত্তিতে এ নিয়োগ বোর্ড সম্পন্ন হয়েছে।

এসএইচ