আধিপত্য বিস্তার ও প্রেমঘটিত কারণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের মধ্যে দফায়-দফায় সংঘর্ষ ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
আজ (০৩ ফেব্রুয়ারি) রোববার দিনভর থেমে থেমে এই সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শাহীন মোল্লা’সহ অন্তত ২৫ জন আহত হন। পরে তারা স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রেমঘটিত কারণে এবং আধিপত্য নিয়ে সকাল ১০টার দিকে জবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারিরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে বিকেলে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংগঠন জবি শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করে। একইসঙ্গে ঘটনার অধিকতর তদেন্ত ৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।
কমিটির সদস্যরা হলেন-সোহান খান, আরেফিন সিদ্দিক সুজন, আল নাহিয়ান খান জয় ও ইয়াজ আল রিয়াদ।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধরী শোভন বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারি ঘটনায় সুষ্ঠু বিচারের জন্য চার সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া, বর্তমান কমিটির সব ধরনের সাংগঠিনক কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. নূর মোহাম্মদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করে ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগের মারামারির ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডিকে একটি প্রতিবেদন তৈরি করার জন্য বলেছি। প্রতিবেদনের আলোকে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এমবি





