হলের সিট দখলকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ছাত্রলীগের সভাপতি ও সহ-সভাপতি গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে-ই-বাংলা ফজলুল হক হলে এই ঘটনা ঘটে। এতে উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।
জানা যায়, সম্প্রতি হলের ২১৪ নম্বর কক্ষের একটি সিটে এক শিক্ষার্থীকে তোলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম হিমু। পাশের ২১৬ নম্বর কক্ষে থাকা ছাত্রলীগের সমর্থক আসলাম হোসেন (রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৩য় বর্ষ) ওই কক্ষে হিমুকে সিটটি ছেড়ে দিতে বলেন।
এ নিয়ে শনিবার দুপুর ২টার দিকে ২০৬ নং কক্ষে আসালামের সঙ্গে হিমুর বাকবিতন্ডা হয়। এর একপর্যায়ে আসলামকে দুইটি চড়-থাপ্পর মারেন হিমু। এসময় আসলামও হিমুকে মারতে চড়াও হয়।
বিষয়টি জানাজানি হলে আসলামের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি রানা চৌধুরী, যুগ্ম-সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান পলাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আহম্মেদ কৌশিক (সুপারিশপ্রাপ্ত) ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাকিম বিল্লাহার নেতৃত্বে ৮-১০ নেতাকর্মী শেরে বাংলা হলে প্রবেশ করে।
এসময় তারা সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের হিমুকে আটক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে বলেন। এতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে হলে থাকা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য সাইদুল ইসলাম রুবেল, হলে প্রবেশ করা রানা, পলাশসহ অন্যান্যদের হল থেকে বেরিয়ে যেতে বললে তারা চলে যান।
এরপর হিমুর পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রাঞ্জুর নেতৃত্বে ১০-১২জন নেতাকর্মী হলে প্রবেশ করলে উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি পায়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমানর রানার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক খালিদ হাসান বিপ্লব বলেন, শেরে- বাংলা হলে সামান্য বিষয় নিয়ে একটু সমস্যা হয়েছে। তবে মীমাংসা হয়ে যাবে বলে জানান তিনি।
এমকে





