১৯৭৯ সালের এই দিনে কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলার মধ্যবর্তী শান্তিডাঙ্গা-দুলালপুরে তৎকালিন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহামানের হাত ধরে পথ শুরু হয় আজকের এই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের। একেএকে ৩৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হচ্ছে জমকালো আয়োজনে। হলে হলে জ্বলছে টিপটাপ বাতি। সর্বত্র সেজেছে নানা আল্পনায়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে দুই দিনব্যাপী নানা কর্মসূচী নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ইতমধ্যে অনুষ্ঠানের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটি।
সকালে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানমালা শুরু হবে। সকাল ১০টায় ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারীর নেতৃত্বে প্রশাসন ভবন হতে অনুষদীয় ডিন, হল প্রভোস্ট, বিভাগীয় সভাপতি, প্রক্টর, ছাত্র-উপদেষ্টা ও অফিস প্রধানসহসহ সকল বিভাগ, হল ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অফিসসমূহের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সমন্বয়ে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হবে।
শোভাযাত্রা শেষে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি থাকবেন ভিসি। আলোচনাসভার পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে, যা পরদিন ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও প্রত্যেক টি হল আলোকসজ্জিত করা হয়েছে। অভ্যন্তরীন সড়কসমূহ রঙ-বেরঙের পতাকায় শোভিত করে ক্যাম্পাসকে বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়েছে।
জারিফ





