চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে ডাকা ধর্মঘটে শাটল ট্রেন লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ছয় শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।
সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়গামী ট্রেনটি চৌধুরী হাট স্টেশনে পৌঁছালে এ ঘটনা ঘটে।
এছাড়া, নগরীর ষোলশহর ও অক্সিজেন এলকায় রেল লাইনে ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটায় ধর্মঘটকারীরা। তবে এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সকাল সাড়ে আটটার বিশ্ববিদ্যালয়গামী দ্বিতীয় ট্রেনটি ষোলশহর স্টেশন ছাড়ার পূর্ব মুহুর্তে অদূরে ফরেস্ট গেইট এলাকায় তিনটি ককটেল বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এসময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে ট্রেনটি ছাড়তে প্রায় আধঘণ্টা বিলম্ব হয়।
পরে, ট্রেনটি অক্সিজেন এলাকায় পৌঁছালে সেখানে রেললাইনে একটি এবং চৌধুরী হাট স্টেশনে পৌঁছালে শাটল ট্রেনের বগি লক্ষ্য করে উপর্যুপরি প্রায় ৬/৭টি ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটায় ধর্মঘটকারীরা। এসময় অন্তত ছয় শিক্ষার্থী আহত হয়।
আহতদের মধ্যে দুই শিক্ষার্থীর নাম জানা গেছে। তারা হলেন, দর্শন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী প্রীতম দাশ ও মেরিন সায়েন্সের তৃতীয় বর্ষের সৌরভ জয়। এদের মধ্যে সৌরভ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়ন এবং প্রীতম উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত।
প্রীতম জানান, তিনি ট্রেনের প্রথম বগিতে ছিলেন। চৌধুরী হাট স্টেশনে আসার পর তাদের বগির জানালা লক্ষ্য করে উপর্যুপরি ককটেল নিক্ষেপ হয়।
ট্রেনের একই বগিতে থাকা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উদীচী‘র সাধারণ সম্পাদক প্রসুন চৌধুরী জানান, ককটেল নিক্ষেপে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছে। এর মধ্যে দুইজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বাকি চারজনকে স্থানীয় ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।]
ষোলশহর স্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আরেফ আলী বলেন, সকালে কয়েকজন যুবক ফরেস্ট গেইট এলাকার সামনে ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটায়। কে বা কারা ঘটিয়েছে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর সিরাজ উদ দৌল্লাহ বলেন, ককটেল বিষ্ফোরণের খবর শুনেছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও বিশ্ববিদ্যালয় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সকল ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ





