স্বর্না আক্তর লিজা, (কালকিনি) : একজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির পরপরই নিজের ক্যারিয়ারের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য এক রাশ স্বপ্ন বুনন শুরু করেন। কারও স্বপ্ন থাকে বিসিএস ক্যাডার, কারও স্বপ্ন সরকারি চাকুরী কিংবা কারও বা স্বপ্ন কর্পোরেট জব। সেই স্বপ্নবুননের অংশ হিসেবেই একজন শিক্ষার্থী নিয়মিত চেষ্টা করে যায় একাডেমিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ভাল ফলাফল অর্জনের ।
শিক্ষার্থীরা একাডেমিক ফলাফল ছাড়াও লক্ষ্য অনুযায়ী প্রয়োজন সঠিক পন্থায় আরও বেশি অধ্যবসায়ী হওয়া কিন্তু তুমুল প্রতিযোগিতামূলক এই চাকুরির বাজারে স্বপ্নপূরণের জন্য সঠিক পন্থা অবলম্বন অতীব জরুরী। হয়তো এ সম্পর্কে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর ধারণা না থাকায় স্নাতক শেষ পর্যায়ে এসে দিশেহারা হয়ে পড়ে।
তারই ধারাবাহিকতায় কর্মজীবনের জন্য সঠিক দক্ষতা ও সহ-শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণে সহায়ক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে ‘বাংলাদেশ ক্যরিয়ার অলিম্পিয়াড’। ক্যারিয়ার গঠন সম্পর্কিত নিয়মিত বিভিন্ন সেমিনার, কর্মশালা, প্রতিযোগিতার মধ্যে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি দক্ষ করে গড়ে তুলতে প্রতিনিয়ত কার্যক্রম চালাচ্ছে ‘বাংলাদেশ ক্যরিয়ার অলিম্পিয়া’ এ সংগঠনটি।
শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণের লক্ষে সংগঠনটির কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর স্বর্না আক্তর লিজা বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্যরিয়ার অলিম্পিয়াড’ সাম্প্রতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই জন্যেই ‘বাংলাদেশ ক্যরিয়ার অলিম্পিয়াড’ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সেল্ফ ডেভলপমেন্টের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে উঠতে কাজ করে যাচ্ছি আমরা।
কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর স্বর্না আক্তর লিজা আরও বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে টিকে থাকার জন্য শিক্ষার্থীদের সকল দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ দিয়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্বনামধন্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান সহ দেশী - বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের একটি যোগসূত্র তৈরি করার লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ ক্যরিয়ার অলিম্পিয়াড’ কাজ করে যাচ্ছে। এতে করে সকল শিক্ষার্থী তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড আগ্রহ ও স্কিল চর্চার মাধ্যমে খুব সহজেই কাঙ্ক্ষিত জব মার্কেটের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারবে।
এবিএস





