রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এক ছাত্রীকে মারধর করেছে ছাত্রলীগের এক নেতা।

সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ্ কলা ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ছাত্রলীগের ওই নেতার নাম ওবায়দুল হক কায়েস। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থবর্ষের ওই ছাত্রী বিকাল সোয়া ৪টার দিকে কাজলা বাজার থেকে প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সেরে রিকশাযোগে মুন্নুজান হলে ফিরছিলেন।

রিকশাটি ইবলিশ চত্বরে পৌঁছলে কায়েস তার গতিরোধ করে। এ সময় কায়েস ওই ছাত্রীর সঙ্গে উচ্চস্বরে কথা বলছিলেন। পরে কায়েস তাকে শহীদুল্লাহ কলা ভবনের সামনে নিয়ে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পর মারতে শুরু করেন। ছাত্রলীগ নেতার প্রহারে ওই ছাত্রী এক পর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর সিরাজুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হলে পৌঁছে দেন।

নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রী জানান, কায়েসের সঙ্গে এক সময় তার ভালো বন্ধুত্ব ছিল। তবে বেশ কিছুদিন ধরে সেই সম্পর্কে ফাঁটল ধরে। এর জের ধরেই কায়েস তাকে রিকশা থেকে নামিয়ে মারধর করেছে।

ওই ছাত্রীর অভিযোগ, কায়েস তাকে এর আগেও একাধিকবার মারধর করেছে। লোকলজ্জার ভয়ে তিনি তা প্রকাশ করতে পারেননি।

তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রলীগ নেতা কায়েস বলেন, ‘ওই ছাত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলছিলাম। মারধর করার প্রশ্নই আসে না।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সিরাজুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীকে মারধরের বিষয়টি শুনতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা মেয়েটিকে হলে দিয়ে এসেছি। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকা, ৭ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ