বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)।  

আজ (২৫ জুন) মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৬তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।  

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আহ্বানের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

আজ সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারীর সভাপতিত্বে প্রশাসন ভবনের সভা কক্ষে একাডেমিক কাউন্সিলের সভা শুরু হয়। সভায় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি উত্থাপিত হলে এতে একমত পোষণ করেন কাউন্সিলের সদস্যরা।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ব্যপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী বলেন, “বিষয়টি এখন সময়ের দাবি হয়ে দাড়িয়েছে। তাই মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান জ্ঞাপন করে ও ভর্তিচ্ছুদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

উল্লেখ্য, গত ০১ ফেব্রুয়ারী বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি ও দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আবদুল হামিদ ৪৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার আহ্বান জানান।  

শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি ও আর্থিক লাভের কথা বিবেচনা করে এক যুগের বেশি সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা চালুর পক্ষে মত দিয়ে আসছেন দেশের শিক্ষাবিদরা। কিন্তু উপাচার্যদের অসহযোগিতা ও পরিপার্শিক কারণে এ যাবত তা বাস্তবায়ন হয়নি।

মুনজুরুল/এমবি