ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু নির্বাচনের যাচাই-বাছাই শেষে সাতজনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

আজ বুধবার তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

ডাকসুতে ২৩৭টি এবং ১৮টি হল সংসদের জন্য ৫শ' ৯৪টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে যাচাই বাছাই করে সাতজনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।

প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে, ছাত্রদলের এসএম হলের ভিপি প্রার্থী নাহিদ এবং জসীমউদ্দিন হলের ভিপি প্রার্থী তৌহিদুর রহমান। এছাড়া, কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী প্যানেলের জসীমউদ্দিন হলের জিএস প্রার্থী সোহাগ হোসেনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে।

আর ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় প্রার্থী হতে পারছেন না প্রগতিশীল ছাত্রজোটের মনোনীত প্রার্থী উম্মে হাবিবা বেনজির। তার পরিবর্তে প্রার্থী করা হয়েছে ফয়সাল মাহমুদকে।

এদিকে, প্রার্থীতা ফিরিয়ে দেয়া না হলে আইনি আশ্রয় নেবে বলে জানিয়েছে ছাত্রদল। আর বিশেষ একটি দলকে জেতাতেই অন্যান্য সংগঠনের প্রার্থীদের কৌশলে বাদ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্রঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী লটন নন্দী।

ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের অনুকম্পা নিয়ে ছাত্রদলকে নির্বাচনে করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রদলের মনোনিত ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান। সেই সঙ্গে তিনি ডাকসু নির্বাচনের সার্বিক প্রক্রিয়া ত্রুটিপুর্ণ বলেও মন্তব্য করেছেন।

তবে, তার এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছাত্রলীগ মনোনীত ভিপি প্রার্থী রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন জানান, 'ছাত্রদল অনুকম্পা নয় বরং সহাবস্থান নিয়েই নির্বাচন করছে।'

ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনেও সরগরম ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। প্রার্থীরা নিজ নিজ হলে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তবে, হলে সহাবস্থান না থাকার অভিযোগ করলেও, সব সংগঠনই নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্ট বলে জানান বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সকাল ৮টা থেকে দুপুর দুইটা নয়, ভোটার যতক্ষণ থাকবে, ততক্ষণই চলবে ভোটগ্রহণ।

এসএম