প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় কপা্ল পুড়ল এক প্রধান শিক্ষকের।দহগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়টি সরকারীকরণ বাস্তবায়ন হয়েছে ৯ মাস আগে। ৯ জন স্টাফ নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন।নতুন খবর হল প্রধান শিক্ষক মীর জুমলার( বড়খাতা বাড়ী) শিক্ষাজীবনে প্রতিটি সনদ তৃতীয় বিভাগ থাকায় প্রধান শিক্ষক পদে তার বিল হবে না।
এ কারনে তাকে অফিস সহকারী/ উচ্চমান সহকারী পদে দেখানো হয়েছে।এ ছাড়া তার ৩০ বছরের শিক্ষকতা জীবনে আর অন্য কোন উপায় নেই জানা গেছে।তিনি এতদিন এমপিও ভুক্ত ছিলেন।প্রধান শিক্ষক পদে বেতনও পেয়েছিলেন।
চাকুরী আর ৪ মাস আছে বলে প্রধান শিক্ষক মীর জুমলা শিক্ষা সচিবকে এ ব্যাপারে ঘুষও দিবেন না হাই কোর্টেও যাবেন না।সাধ্য ও সামর্থ্য না থাকায় তার এ উক্তি।বর্তমানে বিজিবি ও সরকারের দেয়া২৬টি কম্পিউটার আছে এ বিদ্যালয়ে।
দহগ্রাম সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তবিবর রহমান ও দহগ্রাম সৈয়দপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রশিদুল প্রধানের সাথে কথা বলে জানা গেল তথ্য পাওয়া গেছে।
দোহা/নাজিব





