রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চাঁদা না দিয়ে হলে অবস্থান করায় এক শিক্ষার্থীকে মারধর করেছে ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার গণযোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক আজহারুল ইসলাম শাওন। 

বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ওই শিক্ষার্থীকে কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের হবিবুর রহমান হল মাঠে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী তৈয়বুর রহমান আরবি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ১১৪ নম্বর কক্ষে থাকেন।

তৈয়বুর রহমান বলেন, ‘১৫ দিন আগে হলে উঠেছি। হলে ওঠার পর ছাত্রলীগের গণযোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক আজহারুল ইসলাম শাওন আমার কাছে ২ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। প্রথমদিকে চাঁদা না দেওয়ায় বিভিন্নভাবে টাকা চেয়ে আমাকে হুমকি দিতেন।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে আমি রুমেই ছিলাম। এ সময় শাওনসহ আরো ৫-৬ জন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী আমাকে রুম থেকে ডেকে হবিবুর রহমান মাঠে নিয়ে যায়। টাকা চাইলে আবারও দিতে অস্বীকার করায় তারা আমাকে মারধর করে।’

তৈয়বুর রহমান এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রলীগের গণযোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক আজহারুল ইসলাম শাওন বলেন, ‘এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমার পরীক্ষা থাকাই আজ রুম থেকেই বের হইনি। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য দলের নেতা-কর্মীরা আমাকে নিয়ে বদনাম ছড়াচ্ছে।’

এ দিকে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে রাবি ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান পলাশ বলেন, ‘সিট বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের কথা শুনেই সহ-সভাপতি রানা চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে জিয়াউর রহমান হলে গিয়েছিলাম। তাদের সাথে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করে দেওয়া হয়েছে।’

তবে এ ব্যাপারে রাবি শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি মিজানুর রহমান রানার সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এমআর