‘খোলা আকাশের নিচে আমরা, শিক্ষামন্ত্রী আপনি কোথায়’। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার পর রাজধানীর বেইলি রোডের সামাজিক শিক্ষাকেন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করে।
রাজধানীর ২৮টি বিদ্যালয়ের ভূমি দখলের প্রতিবাদে এবং ভেঙে ফেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পুনর্নির্মাণের দাবিতে ছাত্র ইউনিয়ন এ গণসমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
এ ছাড়া ভেঙে ফেলা স্কুলের ভবনগুলো ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুনর্নির্মাণ ও ভূমি সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেয়া না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে বলে হুমকি দেয়া হয়।
আয়োজকেরা রাস্তার একপাশে ত্রিপল বিছিয়ে অবস্থান করতে চাইলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। পরে রাস্তায় অবস্থান করতে দিলেও পুলিশ মাইক ব্যবহারে বাধা দেয়। মাইক ছাড়া বক্তারা বক্তব্য দিলেও সমাবেশের শেষের দিকে মাইক ব্যবহার করতে চাইলে পুলিশ আবার বাধা দেয়।
আয়োজকেরা দাবি করেন, রাজধানীর ৬২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এই সমাবেশে অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমাবেশে অংশ নেয়; যার মাত্র একটি কলেজ।
সমাবেশে আসার কারণ জানতে চাইলে শিক্ষার্থীরা বলে, ‘শিক্ষা তো সবার জন্য। বন্ধুদের স্কুল ভেঙে ফেলছে, তাই আন্দোলন করতে আসছি।’
সমাবেশে বক্তারা বলেন, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণের যে রীতি তার প্রতিফলন হচ্ছে বিদ্যালয় ভেঙে মার্কেট নির্মাণ। শিক্ষার্থীরা আবার রাজপথে নামবে, সরকার ’৬২-র শিক্ষা আন্দোলন দেখবে বলেও দাবি করেন বক্তারা।
সমাবেশ শেষে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শান্তিনগর মোড় পর্যন্ত গেলে সেখানেই সমাবেশের সমাপ্তি ঘটে।
উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির উপদেষ্টা মঞ্জুরুল আহসান খান, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ, ছাত্র ইউনিয়নের নেতারা, অভিভাবকেরা, কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রমুখ।
ঢাকা, ৪ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





