শর্ট সিলেবাসে পরীক্ষা, দ্রুত ক্লাস চালুসহ পাঁচ দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ থেকে আটক চার পলিটেকনিক শিক্ষার্থীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বাকী বিল্লাহ এই আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া চারজন হলেন- মেহেদী হাসান রিমন (২০), নাওয়াহির আলম দিহান (২০), শহিদুল ইসলাম সোহেল (১৮) ও মো: হিমেল উদ্দিন (২২)। এছাড়া জান্নাতুল ফেরদৌস (২২) নামে একজনকে জামিন দেন একই আদালত।
আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দ মো: জয়নুল আবেদীন মেসবাহ।
তিনি জানান, পাঁচজনের পক্ষেই জামিন আবেদন করা হয়েছিল। নারী হিসেবে আদালত একজনকে জামিন দিয়েছেন। বাকি চারজনের জামিন আবেদন শুনানির জন্য আগামী মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিন রেখে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
তাদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, গত রোববার (০৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে দেড় থেকে দুইশ জন পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগে রাস্তা বন্ধ করে বসে যায়। তারা এ সময় উসকানিমূলক স্লোগান, পুলিশের কাজে বাধাদান, লাঠিসোটা দিয়ে আক্রমণসহ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এর মাধ্যমে তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার অপরাধ করে। পরে পুলিশ যান চলাচল নিশ্চিত করতে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় সেখান থেকে তাদের আটক করা হয়।
ওই পাঁচজনকে সোমবার আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে রাখার আবেদন করেন নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রইচ উদ্দিন।
পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হচ্ছে- এক বছর লস মানি না। স্থগিত হওয়া ২য়, ৪র্থ, ৬ষ্ঠ পর্বের পরীক্ষাগুলোকে অটোপাস দিয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষাগুলো পরবর্তী পর্বের সঙ্গে সংযুক্ত করে দেওয়া। ১ম, ৩য়, ৫ম ও ৭ম পর্বের ক্লাস চালু করে শর্ট সিলেবাসে পরীক্ষা নিতে হবে। সকল অতিরিক্ত ফি প্রত্যাহার ও বেসরকারি পলিটেকনিকের সেমিস্টার ফি অর্ধেক করা। চলতি বছরের মধ্যে ডুয়েটসহ অন্যান্য প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন বৃদ্ধি করা।
এমবি





