রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ এম মুস্তাফা জামান বলেন, প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে তার বিরুদ্ধে কয়েকজন শিক্ষক ও সদস্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে শুক্রবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, কয়েকজন শিক্ষক ও স্কুল কমিটির সদস্য প্রতিষ্ঠানটির সহকারী শিক্ষক আলী আশরাফকে অধ্যক্ষ পদে বসাতে নানামুখী ষড়যন্ত্র করছেন। তারা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অসত্য সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশ করছেন।
সরকারের কাছে নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি বলেন, ‘সত্য কথা বলার জন্য হয়তো আমার প্রাণও যেতে পারে। শিক্ষার পরিবেশ তৈরি ও ষড়যন্ত্র থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে বাঁচানোর জন্য শিক্ষা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সংসদ সদস্য এস এম আবুল কালাম আজাদ জুলাই ও আগস্ট মাসের বেতন সিট ও চেকে স্বাক্ষর করেননি। ফলে শিক্ষক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
তিনি দাবি করেন, ‘আমার বিরুদ্ধে গত পাঁচ মাসে চেক জালিয়াতি করে টাকা লুটপাটের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
প্রতি মাসে এমপিওবিহীন শিক্ষক, গেস্ট শিক্ষক, কর্মচারী, টেলিফোন, বিদ্যুৎ, পানি, সংবাদপত্র ও ইন্টারনেট বিল, এসএসসি কেন্দ্র ফি, কলেজে পরীক্ষা পরিচালনা, টয়লেট্রিজ, স্টেশনারি ও ইলেকট্রিক সরঞ্জাম ক্রয়, ইলেকট্রিশিয়ানের মজুরি, যাতায়াত, আপ্যায়ন, মেরামত ও সংস্কার এবং বিবিধ খরচে অর্থ ব্যয় হয়েছে।
জেএসসি রেজিস্ট্রেশন ফি, পরীক্ষার সম্মানী, এইচএসসির কেন্দ্র ফি, সিলেবাস মুদ্রণ, অডিট ফি, স্বীকৃতির নবায়ন ফি, প্রিন্টারের টোনার, মেরামত ও সংস্কার ইত্যাদি বাবদ পাঁচ মাসে ২১ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে, যার প্রতিটির বিপরীতে ভাউচার রয়েছে।’
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম ভিন্ন ভিন্ন কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন এবং তাদের দেয়া ভাউচার অনুযায়ী ব্যয় নির্বাহ করা হয়েছে। অধ্যক্ষ নিজে কোনো ব্যয় করেন না।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ২০০৩ সালে বিদ্যালয়ে জমা করা ফান্ড ছিল মাত্র ১৭ লাখ টাকা। বর্তমানে এ ফান্ড এক কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। আর এ অর্থ কুক্ষিগত করতে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





