গত বছর দ্বিতীয় স্থানে থাকা ঢাকা বোর্ডের ভিকারুন্নেসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ এবার রয়েছে চতুর্থ স্থানে। ফলাফল ঘোষণার আগ মূহূর্তে গেলে দেখা যায় পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফলাফল পেয়ে ছাত্রীদের উল্লাসিত চিৎকার।
কিন্তু আনন্দের এই উৎসব মূহুর্তে অনেককে দেখা যায় আপনজনকে জড়িয়ে ধরে আনন্দের অশ্রু ঝরাতে। এ যেন অল্প শোকে কাতর অধিক শোকে পাথর।
তেমনি একজন নাসিফা সিদ্দিকি। অশ্রুসিক্ত চোখে সে বলেছিলো, আমি আমার মা বাবাকে খুশি করতে পেরে অনেক খুশি। ভিকারুন্নেসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ থেকে সে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
ডাক্তার হওয়া তার লক্ষ্য। ভালো ফলাফলের জন্য সে তার বাবা-মাকেই এগিয়ে রেখেছেন তারপর তার প্রিয় শিক্ষকদের।
নাসিফার মা আরমিন সিদ্দিকি তার মেয়ের ফলাফলে অনেক খুশি। তিনি বলেন, মেয়েকে আমি ডাক্তার বানাতে চাই। সেক্ষেত্রে তিনি দেশের বৈরী প্রভাবকে বাধা হিসেবে মনে করছেন। পরীক্ষার মধ্যে হরতাল-অবোরধ না থাকলে আরো ভালো ফলাফল হতো বলে তিনি আশা করছেন।
তাজরিন শাওরিন ইসলাম। সে এবার এসএসসি পরীক্ষায় ভিকারুন্নেসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ থেকে গোল্ডেন জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন।
সে ভবিষ্যতে ডাক্তার হওয়ার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। ভালো ফলাফলের জন্য সে তার মাকেই এগিয়ে রেখেছেন। তারপর তার প্রিয় শিক্ষকদের।
ভবিষ্যতের বৈমানিক নাসিফা তৈইয়ব প্রীয়তা প্রত্যশিত ফলাফলে অনেক খুশি। বিজ্ঞান বিভাগে সে গোল্ডেন জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এই ভালো ফলাফলের জন্য বাবাকেই সে এগিয়ে রেখেছে। বিমান চালক হওয়ায় তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য।
পাশে থাকা নাসিফার বাবা আবু তইয়ব সিদ্দিকি মেয়ের ভালো ফলাফলের খুশি হয়ে বলেন, আমার মেয়ের ইচ্ছা সে বিমান চালক(পাইলট) হবে তাই তাকে আমি পাইলটই বানাতে চাই।
তার মেয়ের ন্যায় দেশের প্রতিটি ছেলে মেয়েই তার বাবা মাকে খুশি করুক এবং উজ্জল আলো অলোকিত হয়ে দেশের মান উজ্জল করুক এটাই তার প্রত্যাশা।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে চতুর্থ স্থান অধিকার করা ভিকারুন্নেসানুন স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষারর্থী সংখ্যা ছিলো ১৫০৩জন।
যার মধ্যে দু'জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি। মোট পাশ করেছে ১৫০১জন। অর্থাৎ পাশের হার ১০০%। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান, মানবিক এবং ব্যবসায়ী শাখা থেকে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২৯০ জন।
এমআর/এসএইচ





