বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে পরিষ্কার কর্মসূচির নাম নিয়ে ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর মো:নূর ইসলামের উদ্দোগ্যে মাঠের চারপাশের অনেকগুলা গাছ আগুনে পোড়ানো হয়। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১১.৩০ মিনিটে মাঠ এ ঘটনা ঘটে।

আগামী ৩রা ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য মুজিববর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২০ আয়োজন করার উদ্দেশ্য ঘাস কাটার নাম নিয়ে গাছ পোড়ানো হয়।

ঘাস কাটার দায়িক্ত প্রাপ্ত কর্মচারী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী এস্টেট অফিসার মো: সাইদুজ্জামান বলেন, ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর আমারে এই ব্যাপারে কিছু জানায় নি। তিনি নিজ উদ্দোগ্যে আগুন দিয়েছেন।

প্রসঙ্গ, যে মালীর জন্য দায়িক্তপ্রাপ্ত ৮ জন ব্যাক্তি থাকলেও এস্টেট অফিসারের দপ্তরে মাত্র ৩ জন আছে এবং বাকি ৫ জনের ২ জন মাননীয় উপাচার্যের দপ্তরে, ২ জন সিকিউরিটি শাখায়, ১ জন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে কর্মরত।

এস্টেট শাখা দপ্তর কর্তৃক জানা যায়, কর্মরত ৩ জন ঠিকমত কাজ করেন না। উপাচার্য মহোদয়ের আদেশ পেলেই তারা কাজের জন্য সোচ্চার হয়।এছাড়া এর আগেও তারা মাঠে ঘাস মারার বিষ প্রয়োগ করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছিলেন।

ঘাসে আগুন দিয়ে গাছ পোড়ানোর ব্যাপারে কথা বলতে গেলে ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর মো:নুর ইসলাম শিক্ষার্থীদের হুমকি দিয়ে বলেন,তোমাদের কিন্তু সমস্যা হয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন আছে, তারা এই ব্যাপারে দেখবে। তোমরা কারা? তোমাদের কাছে জবাব দিতে আমি বাধ্য নয়।

উল্লেখ্য যে, নুর নারী কেলেঙ্কারির জন্য সমালোচিত হয়েছিলেন।এছাড়াও তার দপ্তরে গেলে তাকে ঠিকমত পাওয়া যায় না।

উক্ত কর্মকান্ডে সাধারণ শিক্ষার্থীরা দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এবং আগুন দেয়া অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইনভাইরনমেন্ট সোসাইটি কর্তৃক প্রক্টর বরাবর প্রতিবাদ লিপি দেয়া হয়।

ইমন/এএস