আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খুলনার সরকারি আযম খান কমার্স কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন নগর সহসভাপতি সবুজ হাজরা ও কলেজ ছাত্রলীগকর্মী রিংকু ফরাজীসহ ভর্তিচ্ছু পাঁচশিক্ষার্থী।
বুধবার দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর মহানগর ছাত্রলীগের সহসভাপতি কাজী আহাদুজ্জামান ডলার ও গোপাল চন্দ্র সাহা, বহিরাগত মো. শামীমসহ ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতরা জানান, বুধবার থেকে সরকারি আযম খান কমার্স কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক ভর্তি ফরম বিক্রি শুরু হয়। সকাল থেকেই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ভিড় জমায়। নগর ছাত্রলীগ নেতা সবুজ হাজরা ও তার সহকর্মীরা মিলে শিক্ষার্থীরা সহযোগিতা করছিলেন।
দুপুর ১২টার দিকে ছাত্রলীগের  অপর গ্রুপের নেতা মহানগর ছাত্রলীগের সহসভাপতি কাজী আহাদুজ্জামান ডলার ও গোপাল চন্দ্র সাহার নেতৃত্বে ছাত্রলীগের অপর অংশ সশস্ত্র অবস্থায় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীদের ধাওয়ায় সবুজ ও মো. রিংকু ফরাজী দৌড়ে ক্যাম্পাসের বাইরে পাশের সন্ধানী ক্লিনিকে আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু প্রতিপক্ষরা তাদের রাস্তার ওপরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়রা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মহানগর ছাত্রলীগের সহসভাপতি কাজী আহাদুজ্জামান ডলার ও গোপাল চন্দ্র সাহা, বহিরাগত মো. শামীম, পরে কলেজ থেকে প্রথম বর্ষের ছাত্র সাকির, তৃতীয় বর্ষের আশিষ ও ফরম সংগ্রহকারী জুয়েলসহ সাতজনকে আটক করে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চিকিৎসক  জানান, আহত ছাত্রদের মধ্যে রিংকুর অবস্থা গুরুতর। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হাতের কবজি প্রায় আলাদা হয়ে গেছে। এছাড়া মাথায় ক্ষত হয়েছে। তবে সবুজ হাজরা শঙ্কামুক্ত। অন্যান্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকুমার বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সাত জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
[b]ঢাকা, ২৮ মে (টাইমনিউজিবিডি.কম) // জেআই[/b]