ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে প্রীতি বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রাত সাড়ে ৭ টায় শহীদ জিয়াউর রহমান হল ডিবেটিং সোসাইটির আয়োজনে জিয়া হলের টিভি রুমে বিতর্কটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রীতি এ বিতর্কে জিয়াউর রহমান হল ও সাদ্দাম হোসেন হল ডিবেটিং সোসাইটি অংশগ্রহণ করে।
‘শাণিত যুক্তিই হোক মুক্তির হাতিয়ার’ শ্লোগানে ছায়া সংসদে 'এই সংসদ মনে করে যে, অর্জিত স্বাধীনতা জাতীয় মুক্তি প্রদান করতে সক্ষম হয়েছে' প্রস্তাবের পক্ষে ও বিপক্ষে বিতর্ক করে অংশগ্রহণকারীরা। এতে প্রস্তাবটি উত্থাপন করে প্রস্তাবের পক্ষে সরকারি দল হিসেবে যুক্তি তুলে ধরে করে সাদ্দাম হোসেন হল ডিবেটিং সোসাইটির সদস্যরা। প্রধান মন্ত্রী হিসেবে সরকারী দলের নেতৃত্ব দেন আল আমিন মিলন। মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য হিসেবে ছিলেন আজিজুল হক ও জি কে সাদিক।
অপরদিকে প্রস্তাবটি যেন গৃহীত না হয় সে জন্য বিরোধী দল হিসেবে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে জিয়াউর রহমান হল ডিবেটিং সোসাইটি। বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে দলের নেতৃত্ব দেন সোহান সাদিক। দলের অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন শাহাব উদ্দিন অসীম ও তামিম আদনান।
বিতর্কে অতিথি ও বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষক কে এম শরফুদ্দিন, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রভাষক শহিদুল ইসলাম, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রভাষক ও বঙ্গবন্ধু হলের আবাসিক শিক্ষক শরিফুল ইসলাম জুয়েল ও লালন শাহ হল ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মোনায়েম।
এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফেরদাউসুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত তিমির প্রমুখ।
ছায়া সংসদে স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির আহবায়ক শাহাদাৎ হোসাইন নিশান।
বিতর্ক শেষে কোনো দলকে বিজয়ী ঘোষণা না করে উভয় দলের অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন অতিথিরা।
নাহিদ/জেড





