রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাউছার আহমেদ কৌশিকের বিরুদ্ধে ছিনতায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রোববার রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্নুজান হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ছিনতাইয়ের শিকার ম্যাটেরিয়্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সুমন রেজা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাইছার আহমেদ কৌশিক এর নাম উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর বরাবর একটি লিখিত অভিয়োগ প্রদান এবং নিজেই বাদী হয়ে মতিহার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী সুমন রেজা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি রোবরার রাতে মুন্নজান হলের সামনে বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলছিলাম। তখন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাইছার আহমেদ কৌশিকসহ চারজন আমার সামনে আসে।
কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়েই কৌশিক আমার কাছ মোবাইল, মানিব্যাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড ছিনিয়ে নেয়। এসময় আমাকে মারধরও করেন।’ তার মানিব্যাগে পাঁচ হাজার টাকা ছিলো বলেও জানান তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বিকার করেন কাউছার আহমেদ কৌশিক বলেন, রোববার রাতে আমি মাদারবখ্শ হলে অবস্থান করি। হঠাৎ করে সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান সুমন আমকে ডাকলে আমি ঘটনাস্থলে যাই।
আমার বিরুদ্ধে এটি একটি ষড়যন্ত্র। এ অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই। এই ছিনতাইয়ের সঙ্গে তার কোনো ধরণের সম্পর্ক নেই বলেও জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তারিকুল হাসান বলেন, ছিনতাইয়ের শিকার ম্যাটেরিয়্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সুমন রেজা বেলা ১১টার দিকে একজনের নাম উল্লে করে একটি অভিযোগ পত্র দিয়েছে।
এই ঘটনায় সত্যতা জাচাইয়ের জন্য আমরা মঙ্গলবার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করব। অভিযোগ প্রমানিত হলে তাদের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, অপহরণকারী, ছিনতাইকারী, চোর-ছেচড়ার কোনো স্থান ছাত্রলীগে নেই। এ ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে খোজ নিয়ে অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নগরীর মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির বলেন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় ভূক্তভোগী সুমন বাদী হয়ে কৌশিককে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত তিনজনসহ মোট চার জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এসএইচ





