গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার মাসপূর্তিতে বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে জঙ্গিবাদবিরোধী মানববন্ধন।বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার বেলা ১১টা থেকে এই মানববন্ধন শুরু হয়েছে, চলে বেলা ১২টা পর্যন্ত।
প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালযের সামনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তারা ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ থেকে রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
এছাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, মিরপুর, ধানমন্ডি, উত্তরা, বনানীসহ ঢাকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সামনে এ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন হাজার হাজার শিক্ষার্থী।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হারুনুর রশিদ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কর্মসূচিতে উপস্থিত রয়েছেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ভুক্ত বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বোরহানউদ্দিন কলেজ, তেজগাঁও কলেজ ও ঢাকা নার্সিং কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নিচ্ছেন শহীদ মিনারের কর্মসূচিতে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা পাশেই নিজেদের ক্যাম্পাসের সামনে মানববন্ধন করছেন। দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়সহ্ উচ্চ শিক্ষার সব প্রতিষ্ঠানে পালিত হচ্ছে জঙ্গিবাদবিরোধী এ কর্মসূচি।
রোববার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পক্ষ থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয়কে এই কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, “গত ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা হয়েছে। অতপর কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ার ঈদের ময়দানের কাছে এর পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।“
এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত ঘটনার মাধ্যমে যাতে জাতীয় স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে কোনো মহল আর কোনো অপপ্রয়াস চালাতে না পারে, সে বিষয়ে সকলের সচেতনতা একান্ত জরুরি।”
দেশের সব জেলার ৪৫ থেকে ৫০ লাখ মানুষ এ মানববন্ধনে অংশ নেবে আশা প্রকাশ করে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে যে সব ধরনের শিক্ষাঙ্গন জ্ঞানচর্চার জায়গা, জঙ্গিবাদের জায়গা নয়।
এমবিএইচ





