জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে একজন বহিরাগতসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ছাত্রলীগকর্মীরা জানান, সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশীদের অনুসারী নবম ব্যাচের মিন্টু তার বান্ধবীকে নিয়ে কলাভবনের সামনে আড্ডা দিচ্ছিলেন।

এ সময় সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মী ষষ্ঠ ব্যাচের সজীব বহিরাগত (এআইইউবির শিক্ষার্থী) ইয়াসির আরাফাতকে নিয়ে মিন্টুকে ক্যাম্পাস থেকে চলে যেতে বলেন। মিন্টু চলে যেতে আপত্তি জানালে মিন্টু ও তার বান্ধবীকে লাঞ্ছিত করেন সজীব ও ইয়াসির আরাফাত।

পরে মিন্টু ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। কিছুক্ষণ পর মিন্টু বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বেরুনোর সময় সজীব বন্ধুবান্ধব নিয়ে মিন্টুকে মারধর করেন। পরে ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতারা বিষয়টি মধ্যস্থতা করতে যান।

মধ্যস্থতার একপর্যায়ে মিন্টু তার বন্ধুদের নিয়ে সজীবের বন্ধুদের মারধর করেন। এতে ইয়াসির আরাফাত মাথায় আঘাত পান। এ সময় সিনিয়র নেতারা সজীবের পক্ষ নিলে তারাও অপমানিত হন।

সংঘর্ষের ঘটনায় আহত মিন্টুকে মিটফোর্ড হাসপাতালে ও ইয়াসির আরাফাতকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ঘটনায় জড়িতরা ছাত্রলীগের কেউ না। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ারও অনুরোধ করেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে কিছু জানা নেই বলে জানিয়েছেনবিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশীদ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর নূর মোহাম্মদ বলেন, ক্যাম্পাসে মারধরের ঘটনা আমি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।

কেএইচ