চীনের উহান শহর থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছেই। এখন পর্যন্ত বিশ্বের অন্তত ১৩১টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাসটি।

করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের দাবিতে অনশনে বসেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থী।

শনিবার (১৪ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে তারা অনশন করেন।

অনশনকারী শিক্ষার্থীরা হলেন- মনোবিজ্ঞান বিভাগের মো: জোনাইদ হোসেন, টেলিভিশন চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের মো: হাসান বিশ্বাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ইয়াসিন আরাফাত প্লাবন ও একই বিভাগের কেএম তুর্য।

পরে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের ছাত্র সাফওয়ান চৌধুরী তাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

অনশনকারীদের ভাষ্য, করোনাভাইরাস সারাবিশ্বে মহামারী আকার ধারণ করেছে। সময়োপযোগী পরিকল্পনা না থাকায় করোনাভাইরাস মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে বিশ্বের উন্নত দেশগুলো। বাংলাদেশেও এই সংক্রমণ ধরা পড়েছে। করোনাভাইরাস আক্রান্ত দেশ থেকে এ দেশে ঢুকছে শয়ে শয়ে মানুষ। এমতাবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান চালু রাখাটা ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এখনকার আবাসিক হলগুলোতে গণরুমগুলোতে ঠাসাঠাসি করে বহু শিক্ষার্থীকে থাকতে হয়। তুলনামূলক ছোট ক্যাম্পাসে অত্যধিক শিক্ষার্থী গাদাগাদি করে বসবাস করায় আক্রান্ত কারও সংস্পর্শে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ভাইরাসটি মহামারী আকার ধারণ করতে পারে।

হাসান বিশ্বাস বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ভারতের দিল্লি, কেরালা, বিহার, মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্রিশগড়ের পর পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ জারি করেছে। অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে দুজন সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলে দাবি করেছে সরকারের রোগতত্ত্ব বিভাগ।

এমবি