রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মো: আল নোমান ও ওয়ালিউল্লাহ নামের দুই শিক্ষার্থীকে শিবির সন্দেহে আটকের পর ছেড়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। দুইজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের দ্বিতীয় সেমিষ্টারের ছাত্র।
বুধবার দুপুর দেড় টার দিকে রবীন্দ্র কলা ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ওয়ালিউল্লাহ ও নোমান দুপুরে ক্লাস করার জন্য আসলে তাদের চলাফেরায় সন্দেহজনক মনে করে তাদেরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এসময় ওয়ালিউল্লাহ নিজেকে তাবলীগের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয়। তার বাসা সিরাজগঞ্জ এবং জিয়াউর রহমান হলের ৩০৪ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী।
তবে নোমান নিজেকে সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে দাবি করেন। সে বিনোদপুরের মন্ডলের মোড়ে একটা ছাত্রাবাসে থাকে এবং তার বাসা চুয়াডাঙ্গা।
পরে ওয়ালিউল্লাহকে তাবলীগের কর্মী হিসেবে প্রমাণ পাওয়ার জন্য ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান রানা বিশ্ববিদ্যালয় তাবলীগের আমীর ও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. এম মুশফিকুর রহমানের কাছে ফোন দিয়ে সত্যতা যাচাই করে ছেড়ে দেন।
এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান রানা বলেন, আমরা জানতে পারি যে, লতিফ হলের শিবিরের সেক্রেটারী রাসেলের নেতৃত্বে কিছু শিবির কর্মী রবীন্দ্র কলা ভবনে নাশকতার পরিকল্পনা করছে। তাদেরকে প্রতিহত করার জন্য আমরা আসলে তারা পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে সন্দেহজনকভাবে দুইজন শিক্ষার্থীকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে প্রফেসর ড. এম মুশফিকের সাথে যোগাযোগ করলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এমকে





