ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীর উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন সদস্য বিশিষ্ট এ তদন্ত কমিটি গঠন করে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ছাত্রকে দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে প্রক্টর ও বিভাগীয় সভাপতি বরবার লিখিত আবেদন জানিয়েছে ওই ছাত্রী।
এদিকে ছাত্রীর উপর হামলার ঘটনায় সোমবার রাষ্ট্রনীতি ও লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. নাসিম বানুকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ছাত্রীর অভিযোগ ইবি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- প্রক্টর অধ্যাপক ড. ত ম লোকমান হাকিম ও ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন।
বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভিকটিম ছাত্রীর বিভাগ (হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ) জরুরি একাডেমিক সভা আহবান করে। সভায় অভিযুক্ত ছাত্রের ব্যাপারে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা এবং ছাত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে প্রক্টর বরাবর আবেদনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. ত ম লোকমান হাকিম বলেন- ‘ভিকটিম ছাত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিভাগ আমার বরাবর ওই ছাত্রীর নিরাপত্তা বিধান এবং অভিযুক্ত ছাত্রের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয়কে অবহিত করলে কর্তৃপক্ষ আমাকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুমতি দেন। এ ব্যাপারে যথাযথ আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। মামলার প্রস্ততি চলছে।’
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহিনুর রহমান বলেন- ‘এ ধরনের অপরাধীদের কোন ছাড় দেয়া হবে না। প্রক্টর, ইবি থানা ও সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, গতকাল রোববার হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের ছাত্রী সেতুর (ছদ্মনাম) উপর হামলা চালায় ফিন্যান্স বিভাগের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র হাসানুর রহমান সাদ্দাম। সাদ্দামের উপর্যুপুরি কিল-ঘুষি ও বুটের আঘাতে মারাত্মক আহত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।
কেএইচ





