দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল আজ শনিবার বিকেলে প্রকাশ করা হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ।

ঢাকা বোর্ড :

তপন কুমার সরকার বলেন, ঢাকা বোর্ডে ৪২ হাজারের বেশি পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনকারীর মধ্যে এক হাজার নয়জনের জিপিএ পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে ১১৫ জন নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। ২০৪ জন ফেল থেকে পাস করেছেন।

তিনি বলেন, পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের সময় দেয়া টেলিটক মোবাইল নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা যাবে। এ ছাড়া বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকেও এ ফলাফল জানা যাবে।

মাদরাসা বোর্ড :
মাদরাসা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এ কে এম ছায়ফুল্লাহ নয়া দিগন্তকে বলেন, ১২ হাজার ২৪৮ জন আবেদনকারীর মধ্যে ফেল থেকে পাস করেছে ৫৩ জন। পুনঃনিরীক্ষণের পর গ্রেড পরিবর্তন হয়ে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে আটজন। জিপিএ-৫ এর কম পেয়েছে ৩৯ জন। জিপিএ-৫ থেকে থেকে জিপিএ-৫ হয়েছে তিনজনের। ফেল থেকে পাস দুইজনের এবং বাকীদের ফলাফল অপরিবর্তিত রয়েছে।

যশোর বোর্ড:
মোট জিপিএ পরিবর্তন হয়েছে ১৪৩টি উত্তরপত্রের। এ মধ্যে ফেল থেকে পাস করেছে ৩৯টির। ৪৩টি উত্তরপত্রে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র আজ সন্ধ্যায় জানান, বোর্ডে মোট ৩১ হাজার ৯৫৬টি উত্তরপত্রের জন্য পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন পাওয়া গেছে। তার মধ্য থেকে ১৪৩ পত্রের ফল পরিবর্তন হয়েছে।

অন্য বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকদের সাথে কয়েকবার যোগাযোগ করেও তাদের কারো মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে অথবা কেউ ফোন ধরেননি।

আটটি সাধারণ ও মাদরাসা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, কাঙ্খিত ফল না পেয়ে এবার শিক্ষার্থীরা প্রায় তিন লাখ ৩৩ হাজার ৩২২টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছে। গত ৮ আগস্ট ফল প্রকাশের পর ঢাকা বোর্ডে এক লাখ ৪০ হাজার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৫ হাজার, রাজশাহী বোর্ডে ৪০ হাজার, কুমিল্লা বোর্ডে ৩২ হাজার, যশোর বোর্ডে ৩১ হাজার, সিলেট বোর্ডে ১৭ হাজার, বরিশাল বোর্ডে সাড়ে ১৯ হাজার, দিনাজপুর বোর্ডে সাড়ে ২৭ হাজারের মতো উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিল পরীক্ষার্থীরা।

এদিকে শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে পুনঃনিরীক্ষনের ফল জানতে আবেদনকারী শিক্ষার্থীরা হয়রানীর শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সন্ধ্যার পরও ঢাকা বোর্ডসহ বেশ কয়েকটি বোর্ডের ওয়েবসাইটে পুনঃনিরীক্ষনের ফল দেখতে পাওয়া যায়নি।

এসএ