জানা যায়, গত সোমবার (৩১ জুলাই)ফারহান তানভীর উৎস মোহাম্মদপুর শিক্ষার্থী পড়াতে গেলে একই বিভাগ ও ব্যাচের শিক্ষার্থী ফাহিম খান তাকে ফোন দিয়ে দেখা করতে বলে। পরে উৎস ফাহিমের সঙ্গে দেখা করতে আসে। তখন ফাহিম কল করে কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাকে ডেকে আনেন। উৎস পরিস্থিতি বুঝতে পেরে স্থান ত্যাগ করতে চাইলে ফাহিম তার কলার চেপে ধরে গালিগালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা শিবির শিবির বলে উৎসকে মারধর করে।

এসময় উৎসের পোশাক ও জুতা ছিড়ে যায়, ভেঙে যায় চোখের চশমা! পরে এক সাংবাদিক তাকে উদ্ধার করে হলে নিয়ে এলে হল প্রাধ্যক্ষ ও তার সহপাঠীরা তাকে বুয়েট মেডিকেল নিয়ে যায়।

ফারহানের সহপাঠীরা জানান, ডাক্তার জানিয়েছেন, তার শরীরের আঘাত বেশ মারাত্মক। তার বাম চোখে ইন্টার্নাল ব্লিডিং হয়েছে,উভয় কানে প্রচন্ড ব্যথা ও ঠোঁটে আঘাত পেয়েছে। মাথা-চোয়াল ও বাম চোখের নিচের অংশ অনেকটা ফুলে গেছে।

এদিকে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে শাস্তির দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

অভিযোগ পত্রে শিক্ষার্থীরা জানান, উৎস সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে তা সাধারণ শিক্ষার্থীদের শঙ্কিত করেছে। এমতাবস্থায় আমরা ক্যাম্পাসে নিজেদের নিরাপদ মনে করছি না। তাই সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা দাবি জানাচ্ছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিসপ্লিনারি কমিটির নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে অতিদ্রুত অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

এবিষয়ে অভিযুক্ত ফাহিম খানকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে জানতে বুয়েট ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে ফোন করা হলে। তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এনএইচ