পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিবির সন্দেহে তিন ছাত্রকে মারধর করে হল থেকে বের করে দিয়েছে ছাত্রলীগের নেতা-কমীরা। এ সময় ওই ছাত্রদের ব্যবহৃত বালিশ, তোষক ও অন্যান্য জিনিসপত্র আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে তারা।
হল থেকে বের করে দেওয়া তিন ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সাথী বলে দাবি করেছে ছাত্রলীগ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রায়হান আহমেদ রিমনের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা শিবির সন্দেহে এম কেরামত আলী হলের কৃষি অনুষদের সপ্তম সেমিস্টারের ছাত্র মো. মুজাহিদুল ইসলাম, মো. আতিকুল্লাহ জুবায়ের ও মো. আরিফুজ্জামান আরিফকে মারধর করে হল থেকে বের করে দেয়। এ সময় ওই ছাত্রদের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে ছাত্রলীগের বিক্ষুদ্ধ নেতা-কর্মীরা।
এই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি প্রতাপ চন্দ্র রায় নিলয়,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব, প্রচার সম্পাদক পীযুজ কান্তি, এম কেরামত আলী হলের সভপতি তাপস কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম চৌধুরীসহ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের অর্ধশত নেতা-কর্মী।
এ ব্যাপার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রায়হান আহমেদ রিমন বলেন, পবিপ্রবি ক্যাম্পাস শিবির মুক্ত করার লক্ষ্যে ওই ছাত্রদের হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করতে জামায়াত-শিবিরের কোনো চক্রান্ত সফল হতে দেব না।
এ ব্যাপারে এম কেরামত আলী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মো. ফজলুল হক বলেন, গতরাতে ঘটনার খবর পেয়ে আমি ও হলের সহকারী প্রভোস্টরা হলে ছুটে যাই। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর মোহাম্মদ আলী বলেন,আমি অসুস্থ, ছুটিতে আছি। হল থেকে ছাত্র বের করে দেওয়ার বিষয়টি আমি জানি না।
কেএইচ





