বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের মিছিলে  ছাত্রলীগের হামলায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।
রবিবার সকালে  বর্ধিত ফি প্রত্যাহারের দাবিতে ডাকা দুই দিনের ধর্মঘটের প্রথম দিন এ হামলার ঘটনা ঘটল।
ধর্মঘটের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তি, ক্লাস, পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বিপাকে পড়েছে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানায়, সকালে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কক্ষে তালা লাগিয়ে দেয়। এরপর তারা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনার এলাকায় পৌঁছালে ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী তাদের বাধা দেয়।
এসময় কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষ বাধে। এতে ১০ জন আহত হন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদি হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মাহমুদ হাসান দাবি করেন, প্রগতিশীল ছাত্রজোট শিবির ক্যাডার ও বহিরাগতদের নিয়ে মিছিল করার সময় তাদের ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে তাদের সাথে ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
তবে শিবির ক্যাডার ও বহিরগতদের নিয়ে মিছিল করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট।
সকালের ওই ঘটনার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে প্রগতিশীল ছাত্রজোট একটি সমাবেশ করে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রফ্রন্ট বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আহসানুল হাবিব তিতু।
সমাবেশ থেকে বর্ধিত ফি প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবারও বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাত্বক ছাত্র ধর্মঘট পালিত হবে বলে জানানো হয়। বর্ধিত ফি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও ঘোষণা দেওয়া হয় সমাবেশে।
বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানান, ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।
[b]ঢাকা, ২ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]