নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এ শিক্ষার্থীবান্ধব প্রশাসন ও ১০০% ছাত্র-ছাত্রী কে আবাসিক নিশ্চিতকরণসহ মোট ৯দফা দাবিতে প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
সকাল ৮:৩০মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক,প্রশাসনিক ভবন,একাডেমিক ভবনে তালা মেরে তারা তাদের দাবির কথা জানায় বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রক্টর মুশফিকুর রহমান কে। তিনি তাদের দাবিগুলো নিয়ে যথাযথ কতৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে আশ্বাস দেন শিক্ষার্থীদের।
পরবর্তীতে বেলা ৯টা পর্যন্ত বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ নিজ নিজ অফিসে ঢুকতে না পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার, মসজিদ প্রাঙ্গনে অবস্থান নেন।
শিক্ষকরা ক্লাস এবং তার অফিস কক্ষে অফিস করতে না পারায় সকল শিক্ষক একত্রিত হয়ে শিক্ষক সমিতির নেতৃত্বে শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন যেখানে শিক্ষকরা আলাদা আলাদা বক্তব্য দেন, এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয় এ এমন একটা দিন না শুধু গত ২মাসে প্রায় ৫বার আমাদের কে আমাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম করতে দেয়া হচ্ছেনা। আমাদের একটা ডেস্ক আছে,আমরা একাডেমিক কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি নিজেদের কাজ ও করি। এটা সত্যিই দুঃখজনক ও বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাবমূর্তি রক্ষার্থে একটা বিরাট প্রশ্ন।
বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'আজকে আমরা রাস্তায় বসে আছি, গত ১২বছর ধরে এমনটা হচ্ছে,সেটা কেন? এমনটা চলতে থাকলে শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্ক নষ্ট হবে, বিশ্ববিদ্যালয় এর স্বাভাবিক অবস্থা বিঘ্নিত হবে, দেশের চলমান পরিস্থিতির সাথে এর কোনো যোগসাজশ আছে কিনা সেটাও খঁতিয়ে দেখতে হবে। তিনি আরো বলেন, 'কাল আমাদের এক সিনিয়র শিক্ষকের উচ্চশিক্ষার্থে এম্বাসি ফেস করতে হবে, তিনি যদি এখন কোনো কারনে এম্বাসি তে যেতে না পারেন? তাহলে এর দায়ভার কে নেবেন?
প্রায় ৩ঘন্টা পর বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রক্টরিয়াল বডির উদ্যোগে প্রধান ফটক, একাডেমিক ভবন ও প্রশাসনিক ভবনের তালা ভাঙ্গা হয়।
উল্লেখ্য সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় এ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিলো।
রাজিয়া সুলতানা/এসএম





