সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের চাকরির পদমর্যাদা একই শ্রেণিভুক্ত করে প্রধান শিক্ষকদের একধাপ নিচে সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক সমিতি।

একই সঙ্গে সরাসরি প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ বন্ধ করে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির সুযোগ প্রদানসহ ১১ দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মঙ্গলবার বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানানো হয়।

১১ দফা দাবিগুলো হলো-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিকদের চাকরির পদমর্যাদা একই শ্রেণভুক্ত করা, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিকদের বেতন গ্রেড ১২ এবং প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিকদের বেতন গ্রেড ১৩ নির্ধারণ করা।

সরাসরি প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ বন্ধ করা এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির সুযোগ প্রদান করা, যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি প্রদান করা, নিয়োগ বিধি সংশোধন করে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক ডিগ্রি নির্ধারণ করা।
যাবতীয় কমিটিতে সহকারি শিক্ষক প্রতিনিধি রাখা, শিক্ষকদের রেশনিং, আজীবন চিকিৎসা বীমা এবং পরিবারের জন্য চিকিৎসা কার্ডের ব্যবস্থা করা, বিদ্যালয়ে পাঠদানের সময়সূচি ঢাকা মহানগরীতে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা এবং ঢাকা মহানগরীর বাইরে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা করা।

শিক্ষকদের অর্জিত ছুটির বিধান প্রণয়ন করা, শিক্ষক নিয়োগে পোষ্য কোটা ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করা এবং সন্তানদের শিক্ষা ভাতার পরিমাণ যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ বৃদ্ধি করা, জেলা ও মহানগরীতে শিকদের পর্যাপ্ত আবাসনের ব্যবস্থা করা।

সমিতির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাসরিন সুলতানার পরিচালনায় সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শামছুদ্দীনসহ অন্যন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ