বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার বলেছেন, শত হতাশার মাঝেও আজকের মেধাবীদের চমৎকার 'রেজাল্ট' জাতিকে আশান্বিত করেছে। তাই জাতির প্রত্যাশা পুরণে মেধাবীদেরকে সৎ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।
তিনি আজ রাজধানীর এক মিলনায়তেন ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী পূর্ব আয়োজিত এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের তাৎক্ষণিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এসময় শাখা সভাপতি এম শামিম ও সেক্রেটারী শরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শিবির সভাপতি বলেন, সৎ হওয়ার পরও অযোগ্যতার জন্য একজন নাগরিক জাতির জন্য তেমন কিছু করতে পারেনা। আবার যোগ্যতা সম্পন্ন হয়েও সততা না থাকার কারণে তার কাছ থেকেও জাতি প্রত্যাশিত কিছু পায়না।
বরং জাতির জন্য অসৎযোগ্য নাগরিক অভিশাপে পরিণত হয়। যার প্রমাণ প্রতিদিনই দেশের মানুষ পাচ্ছে। বড় বড় দূর্নীতি ও অপকর্ম করে যারা জাতিকে বার বার লজ্জিত করছে তারা সবাই মেধাবী।
তিনি বলেন, অপার সম্ভাবনা এবং পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক জনসম্পদ থাকার পরও এসব নৈতিকতাহীন মেধাবীদের কারণে জাতি তার সুফল থেকে বঞ্চিত।
দেশের সব অশান্তির মূলে রয়েছে এই অসৎ মেধাবীরা মন্তব্য করে তিনি বলেন, তাই জাতি আর এসব অসৎ মেধাবীদের দেখতে চায়না বরং তাদের কবল থেকে মুক্তি চায়। এ অবস্থায় জাতির হাল ধরতে হবে আজকের মেধাবীদেরকেই।
তিনি আরও বলেন, আজকের মেধাবীদের মধ্যে অসৎ কর্মকর্তা দের দ্বারা দখলকৃত দেশপরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবার দৃঢ় প্রত্যয় থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দুঃখ জনক হলেও সত্যি যে, নিজেদেরকে প্রকৃত মেধাবী ও সৎ হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ তেমন নেই। উল্টো রাষ্ট্রীয় শক্তি কর্তৃক শিক্ষাকে রাজনীতির করণ ও মাদক, অপসংস্কৃতি, অশালিনতায় ডুবিয়ে দিয়ে আগামী প্রজন্মকে অযোগ্য এবং অনৈতিকতার জোয়ারে ভাসিয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু তবুও আমরা হতাশ নই।
তিনি বলেন, আজকের মেধাবীদের এই ঈর্শনীয় ফলাফল জাতির সামনে আশার আলো জ্বালিয়েছে। ছাত্রশিবির মেধাবীদের সৎ, যোগ্য ও আদর্শীক নাগরীক হিসেবে গড়ে তোলার মিশন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। মেধার উপযুক্ত মূলায়ন করতে কুরআনের আলোকে মেধাবীদের গড়ে তোলতে ছাত্রশিবিরের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
শিবির সভাপতি বলেন, আমরা আশা করি জাতির প্রত্যাশা পূরণে আজকের মেধাবীরা ছাত্রশিবিরের এই পথ চলায় সহযোগি হয়ে দুর্নীতিমুক্ত সম্বৃদ্ধ দেশ গঠনে ভূমিকা পালন করবে।
এমকে





