আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পে-স্কেলে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে পুন:নির্ধারণ করাসহ ১১ দফা দাবি আদায় না হলে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বর্জন এবং কর্মবিরতি পালনের মত কঠোর আন্দোরনের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক সমিতি।
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের হলরুমে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক সমিতি আয়োজিত ‘ঘোষিত অষ্টম জাতীয় পে-স্কেলে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে পূণনির্ধারণ করাসহ ১১ দফা দাবি' শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন সমিতির সভাপতি নাসরিন সুলতানা।
তিনি বলেন, সহকারি শিক্ষকরা ক্রমাগত বৈষ্যম্যের স্বীকার হচ্ছে এবং এই বৈষম্য না কমিয়ে বরং আরো বাড়ানো হচ্ছে। স্বাধীনতার পর থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষদের মধ্যে বেতনের পার্থক্য ছিল একধাপ, ২০০৬ সালে বেতন স্কেলের পার্থক্য বাড়িয়ে করা হয় দু’ধাপ।
গত ৯ মার্চ ১৪ সালে প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষকদের মধ্যে বেতন ব্যবধান তিন ধাপ বাড়িয়ে ১২০০ টাকা করা হয়েছে। সর্বশেষ ঘোষিত অষ্টম পে-স্কেলে বিদ্যমান বেতন ব্যবধান পূর্বের তিনধাপেই রাখা হয়েছে। ১৯৭৩ সালে একজন প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষকের মাঝে বেতনের ব্যবধান ছিল মাত্র ১০ টাকা। কিন্তু বর্তমানে মূল বেতনের ব্যবধান ২৩০০টাকা করা হয়েছে।
নাসরিন সুলতানা বলেন, শিক্ষক হিসেবে এই বেতন কাঠামো আমাদের জন্য অমানবিক এবং অবমাননাকর। ঘোষিত অষ্টম বেতন স্কেল, বৈষম্য বৃদ্ধির বেতন স্কেল উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাথমিক সহকারি শিক্ষকদের পদোন্নতির সুযোগ না দিয়ে টাইম স্কেল বাতিলের সিদ্ধান্তে সহকারি শিক্ষকরাই ক্ষতির সম্মুখিন হবে।
ঘোষিত বেতন স্কেল পুনঃনির্ধারণ করে সহকারি শিক্ষকদের দাবি সমূহ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাতেন, সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, সহ-সভাপতি মনির হোসেন প্রমুখ।
এমএ/ এআর





