বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের ঢাকায় বসে অষ্ট্রেলিয়ার কারিকুলামে লেখা পড়ার সুযোগ করে দিতে সিডনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অত্যন্ত ভালো ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত অষ্ট্রেলিয়ান ডেপুটি হাই কমিশনার ডঃ লুসিন্দা বেল। অনেকেই এখানে পড়াশুনা শেষ করে ইউরোপ আমেরিকার মত আধুনিকতম বিশ্বের দেশগুলোতে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার সকালে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজ অডিটোরিয়ামে সিডনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক কনসার্ট ২০১৪ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লুসিন্দা বলেন, আন্তর্জাতিক মানের স্কুল হিসেবে সিডনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ইতোমধ্যে অভিভাবকদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। স্কুলের কঠোর নিয়ম ও বিনোদনপূর্ন আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় আরো আগ্রহী করে তুলেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রয়েল থাই এ্যাম্বেসীর ডেপুটি চিফ অব মিশন সুয়াপান শ্রিসিরন, এম্বেসি অফ ইন্দোনেশিয়ার ডেপুটি চিফ অফ মিশন আব্দুল নজার, অনারারি কনসাল অফ সিশলিস মোঃ আমিরুজ্জামান এবং পাকিস্তান হাই কমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারী ফারিনা আরশাদ।
সিডনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিশু কিশোরদের অনবদ্য উপস্থাপনায় তুলে ধরা হয়েছে তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক নানা চিন্তা ভাবনাগুলো। "নেভার এন্ডিং স্টোরি" শিরোনামে শিশুদের নিজেদের তৈরী স্ক্রিপ্টের নাটকও মঞ্চস্থ করা হয়। এছাড়া নৃত্য আর সঙ্গীত পরিবেশনাও মুগ্ধ করেছে অডিটোরিয়ামের দর্শকদের।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে যাত্রা শুরু করা এই স্কুলটি ইতোমধ্যে পাড় করেছে ৩ বছর। অষ্ট্রেলিয়ান বোর্ড অফ ষ্টাডিজ নিউ সাউথ ওয়েলস এর অনুমোদনে কিন্ডারগার্টেন, জুনিয়র ও সিনিয়র তিনটি শাখা রয়েছে স্কুলটির।
স্কুলটির স্বপ্নদ্রষ্টা ও প্রতিষ্ঠাতা অষ্ট্রেলিয়ার তরুণ ব্যাবসায়ী মাইনুল মৃধা যিনি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ঢাকায় প্রতিষ্ঠা করেন সিডনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল।
ঢাকা, ২১ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেবি





